শুক্রবার সন্ধ্যায় শহরের সাতমাথায় বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে বগুড়া জেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের আহ্বায়ক শিমুল হক রেহানকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরে জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়। কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে জানা গেছে।
বগুড়ার জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহম্মেদ খান জানান, “শিমুল হক রেহান হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সৈনিক লীগ নেতা সবুজ সওদাগরসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।” গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের বগুড়া শহর কমিটির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সবুজ হাওলাদার (১৯) এবং সাবেক সদস্য সোহান (১৬), রাহাত (১৮), বিপুল (২০) ও দেলাল (১৯)। শুক্রবার রাত ৮টার দিকে শহরের শেরপুর রোডের একটি ক্লিনিক থেকে ওই পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সৈনিক লীগের একাধিক নেতা জানান, আসাদুজ্জামান খান সুমন বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের জেলা কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন। দুই মাস আগে ওই কমিটি বাতিল করে শিমুল হক রেহানকে আহ্বায়ক করে নতুন কমিটি গঠন করা হয়। রেহান আহ্বায়ক হয়েই সংগঠনের বগুড়া সদর, কাহালু, নন্দীগ্রাম ও গাবতলী উপজেলা শাখা কমিটি ভেঙ্গে দেন। এর পর দুপক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে রূপ নেয়।
