দল গোছাতে বাধা দিচ্ছে সরকার

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০১৪, ০০:১৯

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করে বলেছেন, সরকার আন্দোলন নস্যাত্ করতে নেতা-কর্মীদের আটক করছে। আমরা যাতে দল গোছাতে না পারি, আন্দোলন করতে না পারি-সেজন্য বিএনপির নেতা-কর্মীদের হয়রানি করা হচ্ছে। যার অংশ হিসাবেই যুবদল সভাপতিসহ সংগঠনটির কর্মীদের গ্রেফতার করে ‘মিথ্যা’ মামলায় জড়ানো হয়েছে। বিএনপির কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ করা হয়েছে।

জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল সোমবার দুপুরে রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর ফখরুল এসব কথা বলেন। বিএনপির মুখপাত্র বলেন, আলালসহ নেতা-কর্মীদের গ্রেফতারের মাধ্যমে সরকারের ফ্যাসিবাদী ও স্বৈরাচারী আচরণ প্রকাশ পেয়েছে। বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির ওপর যে আঘাত এসেছে, যুবদলের ওপরও একই আঘাত এসেছে। যুবদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেয়া হচ্ছে। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফের উদ্দেশে ফখরুল বলেন, হুমকি-ধামকি দিয়ে ভিন্ন মতকে তারা দমিয়ে রাখতে চান। এই হলো তাদের রাজনীতি। অনুষ্ঠানে যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবদুস সালাম ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম নিরবসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সংলাপ করতে সরকারই
মরিয়া হবে : শাহ মোয়াজ্জেম
এদিকে ২০ দলীয় জোট শরিক বাংলাদেশ লেবার পার্টির উদ্যোগে গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন বলেছেন, আন্দোলনের চাপে পড়ে সরকারই সংলাপের জন্য বিএনপিকে ডাকবে। বিএনপিকে বারবার সংলাপ ও আলোচনার কথা বলার দরকার নেই।

‘লগি-বৈঠার তাণ্ডব: আওয়ামী বর্বরতা-দেশপ্রেমিকদের করণীয়’ শীর্ষক এই আলোচনা সভায় সাবেক বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, সংবিধানের নিয়ম রক্ষার জন্য তিনি পাঁচ জানুয়ারির নির্বাচন করেছেন। তার সেই নিয়ম রক্ষা কী এখনো শেষ হয়নি? অনুষ্ঠানে ২০ দলের আরেক শরিক কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বলেন, খালি হাতে আন্দোলন করে কোনদিন দাবি বাস্তবায়ন করা যায় না। ক্ষমতাসীন পার্টি যদি হাতে লগি-বৈঠা নিতে পারে, তাহলে আমাদেরও হাতে কি নেয়া উচিত, তা চিন্তার বিষয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আয়োজক পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান।