দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আগের দিনের তুলনায় বুধবার লেনদেন বেড়েছে। বেড়েছে অধিকাংশ শেয়ারের দামও। তবে প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স কমেছে। দেশের অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন ও শেয়ারের দাম বাড়লেও কমেছে সার্বিক মূল্যসূচক।
তথ্যে দেখা গেছে— আগের দিনের তুলনায় ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ৮৩ কোটি টাকার বা ১৮ শতাংশ। ডিএসইতে ডিএসইএক্স সূচক ১৯ কমেপাঁচ হাজার ১০৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে, যা আগের দিনের তুলনায় দশমিক ৩৭ শতাংশ কমেছে। ডিএসইএস সূচক ৪ বা দশমিক ৩৩ শতাংশ কমে এক হাজার ২০২ পয়েন্টে অবস্থান করছে। এ ছাড়া, ডিএসই৩০ সূচক ১৪ কমে এক হাজার ৯১৯ পয়েন্টে স্থির হয়েছে। অর্থাত্, এই সূচক আগের দিনের তুলনায় দশমিক ৭৩ শতাংশ কমেছে। টাকার অংকে মোট লেনদেনের পরিমাণ ৫৪৫ কোটি ৬৮ লাখ ২৩ হাজার টাকা।
লেনদেন হওয়া ৩০৫টি কোম্পানির ১২ কোটি ৪৩ লাখ ৩০ হাজার ৬৭৩টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৬৯টির, কমেছে ১০৪টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩২টি কোম্পানির শেয়ারদর। লেনদেন হয়েছে ৫৪৫ কোটি ৬৮ লাখ ২৩ হাজার টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট। ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স অবস্থান করে ৫১২৮ পয়েন্টে। ওই দিন লেনদেন হয় ৪৬২ কোটি ৫৯ লাখ ৪৩ হাজার টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট। সে হিসেবে বুধবার ডিএসইতে লেনদেন কমেছে ৮৩ কোটি ৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা বা ১৭ দশমিক ৯৬ শতাংশ। ডিএসইর টপ-২০ তালিকায় থাকা কোম্পানিগুলোর মোট ২৬৩ কোটি ৮০ লাখ ৮৭ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ৪৮ দশমিক ৩৪ শতাংশ।
অন্য দিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ মূল্যসূচক ২৭ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৯ হাজার ৫৯৬ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ২২১টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১০৪টির, কমেছে ৯৪টির এবং দর অপরিবর্তিত রয়েছে ২৩টি কোম্পানির। লেনদেন হয়েছে ৪৩ কোটি ৫ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট। আগের দিন এ সময়ে লেনদেন হয়েছিল ৩৪ কোটি ১৯ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট। সে হিসেবে সিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকার। টাকার হিসাবে সিএসইতে লেনদেনের শীর্ষ ৫ কোম্পানি হলো— আরএসআরএম স্টিল, খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং, সাইফ পাওয়ারটেক, সামিট পাওয়ার এবং সামিট পূর্বাঞ্চল পাওয়ার কোম্পানি।
