সাতকানিয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

আপডেট : ৩১ অক্টোবর ২০১৪, ১৯:২৮
 
 
চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১১টি বসত ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এ সময় গোয়াল ঘরে রাখা ২টি গরু, নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার ও আসবাপত্রসহ ক্ষয়ক্ষতির পরিমান ৩০ লক্ষ টাকা হবে ক্ষতিগ্রস্থরা স্থানীয়রা। শুক্রবার বেলা দেড়টার সময় উপজেলার দক্ষিন ঢেমশা হাঙ্গরকুল মিঠার বাড়ি এলাকায় এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, এলাকার অধিকাংশ লোকজন জুমার নামাজে থাকা অবস্থায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহুর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা পাশ্ববর্তী বসত ঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে সাতকানিয়া ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। কিন্তু এর আগে ১১টি বসত ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন  বলেন, যোগাযোগের সুব্যবস্থা না থাকার কারণে ঘটনাস্থলে পৌঁছতে দেরি হলেও আশপাশের অন্য বাড়িগুলোতে যাতে আগুন ছড়িয়ে না পড়ে সে ব্যবস্থা করেছি। তাছাড়া আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য পর্যাপ্ত পানির উত্স এলাকায় নেই। পুকুর ও ডোবা  ভরাট করে ফেলার কারণে আগুন নিভানোর জন্য পানির উত্স পেতে দমকল বাহিনীর বেগ পেতে হয়।
বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্থরা খোলা আকাশের নীচে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো হল আহমদ হোসেন, মোহাম্মদ হোসেন, জাকির হোসেন, আছিয়া খাতুন, সাদেক হোসেন, আমির হোসেন, জুনু মিয়া, নুরুল কবির, মুন্সি মিয়া, আরিফ হোসেন ও জামাল হোসেন।
এদিকে আগুন নিভাতে গিয়ে মো. ফোরকান ও নেজাম উদ্দিন নামে দুইজন আহত হয়েছেন।
খবর পেয়ে এলাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক নুরুল আলম মেম্বার ক্ষতিগ্রস্থদের সাহায্যার্থে এগিয়ে আসেন। তিনি তাত্ক্ষনিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ প্রত্যেক পরিবারকে নগদ ২ হাজার টাকা সাহায্য প্রদান করেন। ঢেমশা ইউপি চেয়ারম্যান রমজান আলী মো. সাইফুল্লাহ ক্ষতিগ্রস্থদের  চাল, ডালসহ নিত্য প্রয়োজণীয় সামগ্রী প্রদানের আশ্বাস দেন।
এ ব্যাপারে  সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি জেনেছি, ইউপি চেয়ারম্যানকে তালিকা প্রস্তুতের নির্দেশ দিয়েছি। তালিকা পাওয়ার পর ত্রাণ তহবিল  থেকে অনুদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।