দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে শচীনপুত্র অর্জুন

আপডেট : ০১ নভেম্বর ২০১৪, ১৭:০৭
 
তা হলে কি ধরে নিতে হবে যে, অর্জুন বড় হয়ে গেলেন? শুধু যাবেন বললে কম বলা হয়, সঙ্গে থাকবেন না বাবা বা মা-ও৷‌ নিজেই নিজেকে চালিয়ে নিয়ে যেতে হবে এখন থেকে এবং এই নির্দেশ অর্জুন পেয়েছেন তাঁর বাবার কাছ থেকে৷‌ এমনকী সুদূর বাউরালে, স্যর ডন ব্র্যাডম্যানের পাড়ায় গিয়েও অর্জুন সম্পর্কে বলে এসেছেন, অর্জুনকে যেন সবাই অর্জুনের মতো বড় হতে দেয়৷‌ অর্জুনের বয়সে শচীন যেমন কৈলাস ঘাটানির হাত ধরে প্রথম ইংল্যান্ডে গিয়েছিলেন ও দেশের পরিস্হিতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল হতে, অর্জুনকেও সেই লক্ষ্যেই পাঠানো হচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকায়৷‌ যাচ্ছেন ওরলি ক্রিকেট ক্লাবের অনূর্ধ্ব ১৭ বিভাগের অধিনায়ক হিসেবে৷‌ খেলবেন প্রিটোরিয়া, জোহানেসবার্গ ও পোচেস্ট্রমের মূলত স্কুল দলের বিরুদ্ধে৷‌
 
কৈলাস ঘাটানি তো এখন আর প্রতিশ্রুতিমান ক্রিকেটারদের নিয়ে বিলেত সফরে যান না৷‌ তা হলে, দক্ষিণ আফ্রিকায় অর্জুনকে নিয়ে যাচ্ছেন কে? অভিনাশ কদম৷‌ নাম শুনেছেন? মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কের কাছেই থাকেন তিনি৷‌ রমাকাম্ত আচরেকার যখন শচীনকে শিবাজি পার্কের কাছে তাঁর কাকার বাড়িতে থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন, বিনোদ কাম্বলি তখন ছিলেন অভি কদমের কাছে৷‌ এখনও অভি ক্রিকেট বলতে অজ্ঞান৷‌ তাই মন দিয়েছেন নতুন প্রতিভাদের তুলে আনার৷‌ সেই লক্ষ্যেই অর্জুন-সহ মুম্বইয়ের একঝাঁক উঠতি ক্রিকেটারদের নিয়ে তিনি চললেন দক্ষিণ আফ্রিকায়৷‌ উদ্দেশ্য তাঁর পরিষ্কার: অল্প বয়সেই যাতে ম্যান্ডেলার দেশের বাড়তি বাউন্সসম্পন্ন উইকেটের সঙ্গে নিজেদের মানিতে নিতে পারে৷‌ ইতিমধ্যেই শচীন পাঠিয়েছিলেন পুত্রকে ক্যারাটে শিখতে৷‌ যাতে শরীরটা পাকাপোক্ত হয়ে ওঠে৷‌ লম্বায় বাবাকে ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন আগেই৷‌ এখন দেখার ব্যাপার, শেষ পর্যম্ত ক্রিকেটের মানচিত্রে তরুণ অর্জুন কতটা সাফল্য পেতে পারেন৷‌ দিন দুই আগে কাঙ্গা লিগে একটি ঝোড়ো গতির শতরান পেয়েছেন৷‌ উইকেট পাচ্ছেন নিয়মিত৷‌ তা হলে কি অলরাউন্ডার হওয়ার দিকে মন? শুরুতে এই লক্ষ্য থাকলেও আপাতত মিচেল জনসনের মতো বোলিং করতে চাইছেন৷‌ বোলিং-গুরু পাল্টেছেন৷‌ আগে ছিলেন ওয়াসিম আক্রামের ভক্ত৷‌ এখন এই অস্ট্রেলিয়ার বাঁ হাতি জোরে বোলারের৷‌ অর্জুন সম্পর্কে এই ছোটখাটো, অথচ গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো দিলেন ভারতের প্রাক্তন জোরে বোলার সুব্রত ব্যানার্জি, যিনি এখন মুম্বইয়ে আছেন অর্জুনের ব্যক্তিগত কোচ হিসেবে৷‌ মাস-মাইনে পান তিনি শচীন তেন্ডুলকারের কাছ থেকে৷‌(সূত্র আজকাল)