ঝিনাইগাতী ধলিবিল সরকারি জলমহাল থেকে মাছ লুট চলছেই

আপডেট : ০৩ নভেম্বর ২০১৪, ০০:৩৫

শেরপুরের সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতী উপজেলার সরকারী জলমহাল ধলিবিলে মাছ লুটপাট অব্যাহত রয়েছে। বিলের পার্শ্ববর্তী দড়িকালিনগর গ্রামের আবু বকর, আঃ মান্নান, আজাহার আলী, খলিলুর রহমান, ছানু মিয়া, শহিদুল্লাহ, নবাব আলী, নরুজ্জামন, জমর আলী, সাইফুল ও লিটন মিয়ার নেতৃত্বে সংঘবন্ধ মৎস্য সন্ত্রাসীরা গত এক মাস ধরে ধলিবিলে মাছ লুটপাট করে আসছে। ওই মৎস্য সন্ত্রাসীরা আদালতের নির্দেশ অমান্য করে মাছ লুটপাট অব্যাহত রেখেছে। অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় ২/১ জন প্রভাবশালী শক্তির মদদে মৎস্য সন্ত্রসীরা সরকারী জলমহাল থেকে মাছ লুটপাট চালিয়ে আসছে। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা আর থানা পুলিশের মৎস্য সন্ত্রাসী প্রীতির কারনে ধলিবিল সরকারী জলমহালের মাছ লুটপাট প্রতিরোধের ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন জলমহালের ইজারাদার আজমত আলী। তিনি বলেন, টেন্ডারের মাধ্যমে জেলা প্রশাসন থেকে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকায় জলমহালটি ইজারা নিয়ে মাছ চাষ করেছেন। তার অভিযোগ উল্লেখিত মৎস্য সন্ত্রাসীরা গত এক মাসে ২ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের মাছ লুটপাট করে নিয়েছে। তিনি বলেন ওই মৎস্য সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আদালতে মাছ লুটের বিষয়ে জেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের কাছে কয়েকটি অভিযোগ দায়ের করার পরেও মৎস্য সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। ফলে ধলিবিল জলমহালে মাছ লুটপাট অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় সুধীজনদের মতে মৎস্য সন্ত্রাসীদের হাত থেকে জলমহালটি রক্ষা করা না গেলে তা মৎস্য শুন্য হবার পাশাপাশি সরকার বঞ্চিত হবে বিপুল পরিমানের রাজস্ব থেকে। থানার ওসি এ,কে,এম ফসিহুর রহমান বলেন, মাছ লুটপাটকারীদের বিরুদ্ধে আদালতের নির্দেশে মামলা হয়েছে। পুলিশি তৎপরতা চলছে।