সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবালের জোড়া সেঞ্চুরিতে খুলনা টেস্টে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় দিন শেষে স্বাগতিকরা এগিয়ে রয়েছে ৩৮০ রানে। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের করা ৪৩৩ রানের জবাবে সফরকারী জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ১ উইকেটে ৫৩ রান।
বাংলাদেশের পক্ষে সাকিব আল হাসান সর্বোচ্চ ১৩৭ রান করেন। ১৮০ বলে তিনি এই রান সংগ্রহ করেন। এতে ১৮টি চার ও ২টি ছক্কার মার রয়েছে। তামিম খেলেন ১০৯ রানের ইনিংস। এছাড়া মাহমুদুল্লাহ করেন ৫৬ রান।
মঙ্গলবার ৩ উইকেটে ১৯৩ রান নিয়ে খেলতে নামেন দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান তামিম (৭৪) ও সাকিব (১৩)। এই দুজন বাংলাদেশকে ৩০৫ রান পর্যন্ত টেনে নিলে বড় স্কোরের ভিত পায় স্বাগতিকরা। দলীয় ৩০৫ রানের মাথায় তামিম ব্যক্তিগত ১০৯ রান করে আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন। তার ৩৩২ বলের ইনিংসে ১০টি চারের মার ছিলো।
পঞ্চম উইকেট জুটিতে মুশফিককে নিয়ে ভালোই এগুচ্ছিলেন সাকিব। তবে দু’জনের ভুল বোঝাবুঝিতে মুশফিক (১১) রান আউট হয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরলে বড় ইনিংসের স্বপ্নে বড় ধরনের ধাক্কা খায় টাইগাররা। তবে ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে শুভাগত হোমকে নিয়ে ৫৪ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে বড় ইনিংস গড়ার কক্ষপথেই রাখেন সাকিব। এ সময় সাকিব আল হাসান তার টেস্ট ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন।
সেঞ্চুরি করা পর সাকিব মারমুখি ভূমিকায় অবতীর্ন হন। তবে ৩৭৬ থেকে ৩৮৩- এই ৭ রানের মধ্যে সাকিব ও শুভাগত ফিরে গেলে ৪০০ রানের স্কোর গড়াটাই কষ্টসাধ্য হয়ে যায় বাংলাদেশের জন্য। তবে অষ্টম উইকেট জুটিতে শাহাদাত ও তাইজুল মিলে ৪৩ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশের স্কোর ৪০০ অতিক্রম করান; যাতে তাইজুলের অবদান ৩২ রান। আর শাহাদাত করেন ১৮ রান।
শেষদিকে জিম্বাবুয়ের বোলাররা ৮ রানে বাংলাদেশের শেষ ৩ উইকেট তুলে নেয়। তবে আর আগেই বড় স্কোর গড়ে স্বাগতিকরা।
দিনের শেষবেলায় ব্যাট করতে নেমে ১ উইকেটে ৫৩ রান সংগ্রহ করে সফরকারীরা। সিকান্দার রাজা ১১ রান করে ফিরে গেছেন। উইকেটটি নিয়েছেন তাইজুল ইসলাম। ব্রায়ান চারি ২১ ও মাসাকাদজা ১৫ রান নিয়ে অপরাজিত রয়েছেন।
সিরিজের প্রথম টেস্টে ৩ উইকেটের জয় দিয়ে সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ।
