কুমিল্লায় পুলিশ-সন্ত্রাসী গুলি বিনিময়, নিহত ১

আপডেট : ০৯ নভেম্বর ২০১৪, ১৪:০১

কুমিল্লায় পুলিশের সাথে সন্ত্রাসী-ছিনতাইকারীদের গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। গুলিতে রাব্বী নামে এক সন্ত্রাসী নিহত হয়। এ ঘটনায় পুলিশের দুই এসআই ও দুই সন্ত্রাসীসহ চার জন আহত হয়েছে। এসময় ডিবি’র এসআই ফিরোজের কাছ থেকে গত বৃহস্পতিবার ছিনতাইকৃত সরকারি পিস্তল ও সন্ত্রাসীদের থেকে অত্যাধুনিক আরো ২টি পিস্তলসহ ৩টি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে।
রবিবার সকাল ১০টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের জেলার আদর্শ সদর উপজেলার আলেখারচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, নগরীর তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী-ছিনতাইকারী বড় সুমন ওরফে জিরা সুমনের নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারীরা গত বৃহস্পতিবার দিনে-দুপুরে ঝাউতলা এলাকায় ডিবি’র এসআই ফিরোজ হোসেনকে গুলি করে ও এলোপাথারি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে তার ব্যবহৃত সরকারি পিস্তলটি ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে বড় সুমন ওরফে জিরা সুমন, রাব্বী, জনি, সবুজকে আসামি করে মামলা দায়ের করে। ঘটনার পর থেকে জেলা পুলিশের কয়েকটি টিম অস্ত্র উদ্ধার ও আসামিদের গ্রেফতারে মাঠে নামে। আজ রবিবার জেলা ডিবি’র ওসি মনিরুল ইসলাম, এসআই শাহ কামাল আকন্দ, এসআই শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের জেলার আদর্শ সদর উপজেলার আলেখারচর এলাকায় অবস্থান নেয়। এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে সন্ত্রাসীরা এলোপাতারী গুলিবর্ষণ করতে থাকলে পুলিশও পাল্টা গুলি ছুঁড়ে। দুইপক্ষের মধ্যে গুলিবিনিময়ের সময় আহত সন্ত্রাসী রাব্বীকে হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যায়। অপর সন্ত্রাসী জনি গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়। এছাড়া ডিবি’র এসআই শহিদুল ইসলাম, এএসআই নজরুল ইসলাম আহত হন। তাদেরকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত এসআই শহিদুল ইসলাম জানান, পুলিশের ছিনতাই হওয়া পিস্তলটি নিহত সন্ত্রাসী রাব্বীর কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। দুপুর সোয়া ১টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অপর সন্ত্রাসীদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলার পুলিশ সুপার টুটুল চক্রবর্তী।