ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে মোটরযান অভিযান চালাচ্ছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে সারা দেশের ন্যায় সোমবার সকাল থেকে কুমিল্লায় এ অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. হাসানুজ্জামান কল্লোল ও জেলা পুলিশ সুপার (এস.পি) টুটুল চক্রবর্তী।
নির্দেশ অনুযায়ী জেলার কয়েকজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সিটি কর্পোরেশন ম্যাজিস্ট্রেটসহ মহাসড়কের পাশ্ববর্তী উপজেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ পৃথক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছেন। এতে জেলা পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশ সহযোগিতা করছেন।
মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দি টোলপ্লাজা থেকে চৌদ্দগ্রাম পর্যন্ত ৯৭ কিলোমিটার এলাকার প্রায় ১০টিরও বেশি স্থানে এ অভিযান পরিচালনা করছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সড়ক-মহাসড়কে দুর্ঘটনার প্রবণতা হ্রাস ও পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করতে ফিটনেসবিহীন ও অবৈধ মোটরযান এবং লাইসেন্সবিহীন চালকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গত মাসে সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সোমবার থেকে সারা দেশে একযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান শুরু করে। ওই ভ্রাম্যমাণ আদালত ফিটনেসবিহীন ও নম্বরবিহীন সকল মোটরযান, মহাসড়কের চলাচলরত ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা, নসিমন-করিমণ-ভটভটি ও ট্রাক্টর চলাচল বন্ধসহ ড্রাইভিং লাইসেন্স বিহীন চালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করায় ব্যস্ততম ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অনেকটাই ফাঁকা হয়ে গেছে।
সরেজমিনে মহাসড়কের কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে ঘুরে দেখা গেছে, মহাসড়কের আলেখারচর-পদুয়ারবাজার-চান্দিনার বাগুর বাস স্টেশনসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চলছিল। এ অভিযান শুরু হওয়ায় অনেক ফিটনেসবিহীন বাস-ট্রাক-কাভার্ডভ্যান, পিকাপ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে গাড়ি চালক ও মালিকপক্ষ। এছাড়া মহাসড়কের অবৈধ যান হিসেবে চিহ্নিত অটোরিক্সা, নসিমন-ভটভটি ও ট্রাক্টর চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এ অভিযান চলাকালে ফিটনেসবিহীন গাড়ির চালকদের বেকায়দায় পড়তে দেখা গেছে।
জেলা প্রশাসনক (ডিসি) হাসানুজ্জামান কল্লোল জানান, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশক্রমেই সারা দেশের ন্যায় এ অভিযান পরিচালনার জন্য কয়েকজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ প্রতিটি উপজেলা নির্বাহী অফিসারদেরকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী সোমবার সকাল থেকে একযোগে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
