তামিম-কায়েসের রেকর্ড জুটিতে দারুণ শুরু

আপডেট : ১২ নভেম্বর ২০১৪, ১৭:৩৯



সফরকারী জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পরপরই দুই ম্যাচ জিতে ইতোমধ্যেই টেস্ট সিরিজটা নিজেদের করে নিয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। তাই তৃতীয় ম্যাচে নির্ভার মুশফিকরা যে আরও ভালো করবে; সে প্রত্যাশা সবারই ছিল। সেই আস্থার প্রতিদানও ভালোভাবেই দিয়েছেন দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েস। নিজেদের গড়া সর্বোচ্চ জুটির রেকর্ডও ভেঙেছেন তারা। বুধবার তারা নিজের রেকর্ড ভেঙে গড়ে তুলেছেন উদ্বোধনী জুটিতে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ২২৪ রানের পার্টনারশিপ। এর আগে ২০১০ সালে লর্ডসে তাদেরই করা ১৮৫ রানের জুটিটি ছিল সর্বোচ্চ।
চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম দিনের খেলা শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩০৩/২। মুমিনুল হক ৪৬ ও মাহমুদুল্লাহ ৫ রান করে অপরাজিত আছেন। জিম্বাবুয়ের পক্ষে সিকান্দার রাজা ও মাসাকাদজা একটি করে উইকেট পেয়েছেন।
২০০৮ সালে টেস্ট অভিষেকের পর একটি আক্ষেপ ছিল বাংলাদেশের অন্যতম সেরা ওপেনার তামিমের। নিজের শহর চট্টগ্রামে ওয়ানডে ও টেস্ট কোনটিতে সেঞ্চুরি করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তার সেই আক্ষেপ মিটল। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্ট ম্যাচে টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। অধিনায়কের সেই সিদ্ধান্ত সঠিক প্রমাণ করেছেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েস। দিনের শুরু থেকেই সাবলিল ব্যাটিংয়ে তামিম ইকবাল তুলে নেন টেস্ট ক্যারিয়ারের ৬ষ্ঠ সেঞ্চুরি। ১৫০ বল খেলে তিনি ১৪টি চার ও একটি ছয়ের মারে এই ইনিংস সাজান। এর আগে খুলনা টেস্টেই তিনি তার ক্যারিয়ারের ৫ম সেঞ্চুরিটি হাঁকিয়েছিলেন।
চা পান বিরতীর পর হ্যামিল্টন মাসাকাদজার বলে লং অনে সেকান্দার রাজার তালুবন্দী হয়ে পিচ ছাড়েন তামিম ইকবাল। বিদায়ের আগে তিনি ১৭১ বলে ১০৯ রান সংগ্রহ করেন। অপরদিকে এটি ইমরুল কায়েসের ক্যারিয়ারে দ্বিতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি। এর আগের সেঞ্চুরিটিও তিনি করেছিলেন চট্টগ্রামের এই ভেন্যুতেই। তখন অবশ্য প্রতিপক্ষ ছিল শ্রীলংকা। কায়েস তার সেঞ্চুরিটি সাজিয়েছেন ১৯১ বলে ৯টি চার ও ২টি ছয় দিয়ে।