কুমিল্লার তিতাসে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের মধ্যে সংঘর্ষে রেজাউল করিম সেন্টু নামে এক যুবলীগ কর্মী নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় ৮ পুলিশসহ কমপক্ষে ২৩ জন আহত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার উপজেলার কলাকান্দি বাজারে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ আকলিমা বেগম নামে এক নারীকে আটক করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কলাকান্দি বাজার এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কলাকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাবিবুল্লাহ বাহার গ্রুপের সঙ্গে ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা ইব্রাহীমের গ্রুপের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। গতকাল সকাল ৮টা থেকে দুপুর পর্যন্ত টেটা, বল্লম ও দেশিয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে দফায় দফায় উভয়গ্রুপ কলাকান্দি বাজারে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষে ইব্রাহীম গ্রুপের রেজাউল করিম সেন্টু (৪৫) টেটাবিদ্ধ হয়ে মারা যান। নিহত সেন্টু কলাকান্দি
গ্রামের মৃত আবদুল জব্বারের পুত্র। পুলিশ খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ৩৫ রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে পুলিশ। এসময় তিতাস থানার এসআই জাকিরুজ্জামান, এএসআই মহসিনসহ ৮ পুলিশ সদস্য আহত হন। এছাড়া সংঘর্ষে উভয় গ্রুপের আরো কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছে। চিকিত্সার জন্য আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। সন্ধ্যায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কলাকান্দি বাজারের সকল দোকান-পাট বন্ধ ছিলো। বাজারের আশপাশের কয়েক গ্রাম পুরুষ শূন্য হয়ে পড়ে। গ্রেফতার এড়াতে এলাকার মানুষ পালিয়ে বেড়াচ্ছে।
তিতাস থান?ার ওসি তারেক মোহাম্মদ আবদুল হান্নান ঘটনা নিশ্চিত করে বলেন, সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। আবারো সংঘর্ষের আশংকায় ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।
