ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনে সোমবার জালিয়াতির ঘটনায় একজন ভুয়া পরীক্ষার্থীসহ ছয়জনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। তাছাড়া মোবাইল ফোন সাথে রাখার অপরাধে আরো ৩৬ জনকে পরীক্ষার হল থেকে বের করে দেওয়া হয়। আটক পরীক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা মোবাইলে এসএমএস দেখে দেখে উত্তরপত্র পূরণ করছিল। সূত্র জানায়, সোমবার প্রথম শিফটের পরীক্ষা চলাকালে কলা অনুষদের ৪২৬ নং কক্ষ থেকে আতিকুর রহমান আতিক (রোল নং-০১৩৬৪) ,দ্বিতীয় শিফটের পরীক্ষা চলাকালে শহিদুল ইসলাম, তৃতীয় শিফটের পরীক্ষা চলাকালে মীর মশাররফ হোসেন ভবনের ১২০ নং কক্ষ থেকে আসমা খাতুন এবং চতুর্থ শিফটের পরীক্ষা চলাকালে ব্যবসায় প্রশাসন ভবনের ১০১ নং কক্ষ থেকে পলি খাতুনকে (রোল নং-১৭৬০৩), ২১৩ নং কক্ষ থেকে স্বর্ণা সাহাকে (রোল নং-১২৬৫৯) ও এম সাম্মান জীম (রোল নং-১২৫৯৬) আটক করা হয়। পলি খাতুন হেডফোনে ব্লুটুথ সংযোগের মাধ্যমে এবং বাকিরা মোবাইল ফোনে এসএমএস এর মাধ্যমে পাঠানো উত্তর দেখে উত্তরপত্র পূরণ করছিল। আটককৃতদের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. ত ম লোকমান হাকিমের কাছে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং পরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। আটককৃত পরীক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে এবং গত রোববার একই ঘটনায় আটক দুই জন পরীক্ষার্থীকে গতকাল সোমবার কুষ্টিয়া কোর্টে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিবুল ইসলাম।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. ত ম লোকমান হাকিম বলেন, ‘যেসব পরীক্ষার্থী পরীক্ষার হলে জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছিল তাদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’
প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. মো. শাহিনুর রহমান বলেন, ‘উপাচার্যসহ আমি নিজে বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র তল্লাশী চালিয়ে প্রায় অর্ধশত মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছি এবং যাদের কাছে মোবাইল ফোন পাওয়া গেছে তাদেরকে সাথে সাথে বহিষ্কার করা হয়েছে।’
