ডিএসইতে সূচকবৃদ্ধি, লেনদেন ৩৫০ কোটি টাকার নিচে

আপডেট : ২৫ নভেম্বর ২০১৪, ১৭:৫৫
 
 
 
 
 
টানা তিন কর্মদিবস ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ১৫৮ পয়েন্ট কমার পর মঙ্গলবার কিছুটা বেড়েছে। সূচক বাড়লেও লেনদেন রয়ে গেছে সাড়ে তিন শ কোটি টাকার নিচেই। বিশ্লেষকরা বলছেন, বাজারে টানা কয়েক দিন দরপতনের পর বিনিয়োগকারীরা বিক্রি করার প্রবণতা কমিয়ে দিয়েছেন। বরং কিছু শেয়ারের দাম কমে যাওয়ায় এগুলো ক্রয়ের প্রবণতা দেখা গেছে। এ জন্য দিনশেষে সূচক বেড়েছে। তবে দাম বাড়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে ছিল সিমেন্ট খাত। এ খাতের কোম্পানিগুলোর দাম বেড়েছে সাড়ে ৪ শতাংশ।
তথ্যে দেখা গেছে, মঙ্গলবার ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৩৫ বেড়ে ৪ হাজার ৮০৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ সূচক ১৮ বেড়ে ১ হাজার ৭৭১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৩৪৭ কোটি ৩ লাখ টাকার, যা আগের দিনের চেয়ে ৭ কোটি ৭৪ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ২৯৮টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ১৬৮টির, কমেছে ৯৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৭টি কোম্পানির শেয়ারের। অপর দিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৮৮ কমে ১৪ হাজার ৮০২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ২৭ কোটি ৯৯ লাখ টাকার, যা আগের দিনের তুলনায় ১ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২১৫টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৯৯টির, কমেছে ৮৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৮টি কোম্পানির শেয়ারের।
এ দিকে, প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া হামিদ ফেব্রিক্সকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেয়া হয়েছে। সোমবার ডিএসইর বোর্ড সভায় কোম্পানিটির তালিকাভুক্তির অনুমোদন করা হয়। এর আগে গত ৩০ অক্টোবর হামিদ ফেব্রিক্সের আইপিও লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়। কোম্পানিটি শেয়ারবাজারে ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে ১০৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ২৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৩৫ টাকা। মার্কেট লট ২০০টি শেয়ারে।