ভাটারায় স্কুলছাত্রী হত্যা

বিচারের দাবিতে জনতা-পুলিশ সংঘর্ষ

আপডেট : ২৯ নভেম্বর ২০১৪, ০০:১৫

স্কুল ছাত্রী ফারজানা (৯) হত্যার বিচারের দাবিতে রাজধানীর ভাটারার নতুন বাজারে শুক্রবার সকালে থানার সামনে পুলিশ-জনতা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বিক্ষুব্ধ জনতা মানববন্ধন ও মিছিল শেষে রাস্তায় আগুন ধরিয়ে ব্যারিকেড দেয়। পুলিশের বাধার মুখে উত্তেজিত জনতা প্রগতি সরণিতে কয়েকটি গাড়ি ভাংচুর করে। রাস্তায় প্রায় আধঘন্টা যানবাহন  চলাচল বন্ধ থাকে। পুলিশ লাঠিচার্জ করে মিছিলকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। পুলিশের লাঠিচার্জে সোলমাইদ উচ্চ বিদ্যালয়ের কয়েক শিক্ষার্থী আহত হয়।

গত মঙ্গলবার সোলমাইদ এলাকা থেকে ফারজানা নামের তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীর বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ভাটারার ১ নম্বর রোডের ৩৪ নম্বর বাড়ি থেকে সৌরভ নামে এক যুবককে গ্রেফতার করে। নিহত ফারজানার পরিবার সৌরভদের বাড়িতে ভাড়া থাকেন। এলাকাবাসীর দাবি, পুলিশ সৌরভকে গ্রেফতার করার পরও বিষয়টি প্রভাবশালীদের চাপে অন্যখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে। মানববন্ধনে অংশ নেয়া সোলমাইদ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আব্দুস সালাম জানান, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশ হঠাত্ করে মারমুখী হয়ে ওঠে। পুলিশ লাঠিচার্জ করলে উত্তেজিত জনতা গাড়ি ভাংচুর ও রাস্তায় অগ্নিসংযোগ করে।
ফারজানা হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আবু আল বাশার জানান, এ মামলায় পুলিশ সৌরভকে বৃহস্পতিবার দুপুরে গ্রেফতার করেছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানালে আদালত তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে।
তিনি আরো জানান, সৌরভের বাবার নাম রেজাউল হক। তিনি রংয়ের ঠিকাদার। সৌরভ এক সময়ে স্থানীয় একটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়াশোনা করলেও এখন বখাটে ছেলে হিসাবে পরিচিত। সৌরভদের বাসায় ফারজানারা ভাড়া থাকে। ফারজানার বাবার নাম নজরুল ইসলাম। পেশায় তিনি গাড়ি চালক। দুই বোনের মধ্যে ফারজানা বড়।