ডিএসইতে সাড়ে চার মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন

আপডেট : ৩০ নভেম্বর ২০১৪, ১৮:১৬
 
 
 
 
দেশের শেয়ারবাজারে সূচক ও লেনদেন পতনের মধ্যে রয়েছে। রবিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হয়েছে ২৩২ কোটি টাকার, যা গত সাড়ে চার মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। গত ১৫ জুলাই ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ১৯৩ কোটি টাকার।
তথ্যে দেখা গেছে, রবিবার ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৩ কমে ৪ হাজার ৭৬৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ সূচক ১ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৭৬০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৩২ কোটি ৩৭ লাখ টাকার, যা আগের দিনের চেয়ে ৩১ কোটি ৪২ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ৩০২টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩৯টির, কমেছে ১২৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪০টি কোম্পানির শেয়ারের। অপর দিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৪ বেড়ে ১৪ হাজার ৬৬২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ১৮ কোটি ৯৩ লাখ টাকার, যা আগের দিনের তুলনায় ৪ কোটি টাকা কম। লেনদেনকৃত ১৯৯টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৭০টির, কমেছে ৯২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৭টি কোম্পানির শেয়ারের।
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে— পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির রাইট শেয়ার ইস্যুর আবেদন নাকচ করে দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বিএসইসির রাইটইস্যু রুল ২০০৬ অনুযায়ী কোম্পানিটি রুল ৩(ই) পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। তাই নিয়ন্ত্রক সংস্থা কোম্পানিটির রাইট ইস্যুর আবেদন নাকচ করেছে। জানা গেছে— কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ১:১ হারে অর্থ্যাত্, ১টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১টি রাইট শেয়ার ইস্যু করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল। প্রতিটি শেয়ারে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সাথে ৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ রাইট শেয়ার ইস্যুর আবেদন করেছিল রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স।
এ দিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সদস্যভুক্ত ব্রোকারেজ হাউস নর্থওয়েস্ট সিকিউরিটিজ লিমিটেড পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসইসি। রবিবার থেকে শুরু হয়ে মঙ্গলবার পর্যন্ত এ হাউসে পরিদর্শন কার্যক্রম চালাবে বিএসইসি। গত ২৫ নভেম্বর বিএসইসি পরিদর্শন সংক্রান্ত এক নির্দেশনা থেকে এ তথ্য জানা গেছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে— এ নির্দেশ পাওয়ার ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে পরিদর্শন কার্যক্রম শেষ করা হবে এবং পরিদর্শনের ফলাফল একটি প্রতিবেদন আকারে কমিশনে দাখিল করা হবে। পরিদর্শকদল সংশ্লিষ্ট স্টক ডিলার, স্টক ব্রোকার বা অনুমোদিত প্রতিনিধির সব হিসাব বই,  রেজিস্টার এবং অন্যান্য দলিলপত্র এবং সংশ্লিষ্ট তথ্যাদি যাচাই-বাছাই করবে। তবে প্রয়োজনে পরিদর্শনের সময়সীমা কমিশন বাড়াতে পারবে। ডিএসই ও সিএসইর অনুমোদিত প্রতিনিধি বা স্টক ডিলার, স্টক ব্রোকাররা নিজ-নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পরিপালন করছেন কি না, তা নিশ্চিত করতেই এ পরিদর্শন করা হয়।