বাসের চাপায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পর নজিরবিহীন ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশ বাদী হয়ে তিন মামলায় অজ্ঞাতনামা তিন হাজার লোকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। গতকাল ক্যাম্পাস জুড়ে দেখা গেছে আগেরদিনের ধ্বংসযজ্ঞের চিহ্ন। অন্যদিকে কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ জেলার বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির কাছে জিম্মিদশায় পড়ে ক্যাম্পাস থেকে বেরও হতে পারছে না আবাসিক শিক্ষার্থীরা।
জিম্মিদশায় ক্যাম্পাস: কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ পরিবহন মালিক সমিতির ডাকা ধর্মঘটের কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীরা। পরিবহন ধর্মঘটের কারণে গত রবিবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ কার্যকর করতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এমনকি গাড়ি পোড়ানোর ঘটনায় ক্ষুব্ধ কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহের বাস মালিক সমিতির লোকজন কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন শিক্ষার্থীকে পেলে জিনিসপত্র কেড়ে নেয়ার ঘটনা পর্যন্ত ঘটেছে। ফলে কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহের বাস মালিক সমিতির কাছে সম্পূর্ণ জিম্মি হয়ে পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
