পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে জিম্বাবুয়েকে ৫-০ ব্যবধানে হারিয়ে হোয়াইট ওয়াশ করার ফলে রেটিং পয়েন্টে উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের। রিলায়েন্স আইসিসি ওডিআই টিম র্যাংকিংয়ে এখন জিম্বাবুয়ের সঙ্গে ২২ রেটিং পয়েন্টের ব্যবধান রচনা করেছে টাইগাররা। অপরদিকে ৯৬ পয়েন্টে সমতায় থাকা নিউজিল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে ব্যবধান কমিয়ে এখন ২১ পয়েন্টে পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ।
সিরিজ শুরু হওয়ার প্রাক্কালেও র্যাংকিংয়ে এগিয়ে যাবার সুযোগ ছিল না কোন দলের। তবে রেটিং পয়েন্ট বাড়িয়ে আসন্ন বিশ্বকাপ ক্রিকেটকে সামনে রেখে নিজেদের অবস্থান সংহত করার একটি ভিত্তি দাঁড় করাতে সক্ষম হয়েছে টাইগাররা। আগামী ২০১৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ।
এদিকে এই সিরিজের মাধ্যমে আইসিসি’র বোলিং বিভাগে ওডিআই খেলোয়াড় র্যাংকিংয়ে উন্নতি ঘটেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ দলের দুই তারকা সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মর্তুজার। চার ধাপ এগিয়ে সাকিব এখন অস্ট্রেলিয়ার মিশেল জনসনের সঙ্গে যৌথভাবে পঞ্চম অবস্থানে উঠে এসেছেন। সিরিজ থেকে তিনি সংগ্রহ করেছেন ১১টি উইকেট। ৯ উইকেট দখল করে বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি ৯ ধাপ এগিয়ে ওঠে এসেছেন ২১তম অবস্থানে। এছাড়া আরাফাত সানি ২২ ধাপ এগিয়ে পৌঁছে গেছেন ৭৪তম অবস্থানে।
এদিকে সিরিজ শেষে জিম্বাবুয়ে দল থেকে সর্বাধিক র্যাংকিংয়ে উন্নতি ঘটেছে ব্যাটসম্যান টেন্ডাই চাতারার। চার ম্যাচে অংশ নিয়ে ১৮৯ রান সংগ্রহের মাধ্যমে তিনি পৌঁছে গেছেন ক্যারিয়ার সেরা ৪৮তম র্যাংকিংয়ে। তিনধাপ এগিয়ে টেইলর ওঠে এসেছেন ২৮তম অবস্থানে। প্রথম ও চতুর্থ ওডিআই ম্যাচে তিনি দুটি হাফ সেঞ্চুরি আদায় করেছেন যথাক্রমে ৫৪ ও ৬৩ রান সংগ্রহের মাধ্যমে।
এদিকে বাংলাদেশ দলে উইকেট রক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিমেরও উন্নতি ঘটেছে ব্যক্তিগত র্যাংকিংয়ে। সিরিজে যথাক্রমে ৬৫, ২৭, ৩৩, ৭৭ ও ১১ রান সংগ্রহকারী ওই ব্যাটসম্যান এখন অবস্থান করছেন ক্যারিয়ার সেরা ৩৩তম স্থানে।
মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ সর্বশেষ র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশ দলের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সবচেয়ে বেশী উন্নতি করেছেন। ১৪ ধাপ এগিয়ে তিনি ওঠে এসেছেন ৬২তম অবস্থানে। সিরিজের ৫ ম্যাচের মধ্যে তিনি তিনবার অপরাজিত ছিলেন যথাক্রমে ৩৩, ৮২ ও ৫১ রানে।
এদিকে ওডিআই অল রাউন্ডার র্যাংকিংয়েও তৃতীয় অবস্থান ফিরে পেয়েছেন সাকিব আল হাসান। ওই তালিকায় শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছেন লংকান অলরাউন্ডার এঞ্জেলো ম্যাথুস।
