রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন বন্ধ, কর্মসূচি অব্যাহত

আপডেট : ০৪ ডিসেম্বর ২০১৪, ১৮:০৫
 
শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিভিন্ন দাবি মেনে নিতে বৃহস্পতিবার থেকে রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। প্রশাসনকে দেয়া ৭২ ঘণ্টা আলটিমেটামের মধ্যে কোন সুরহা না হওয়ায় প্রশাসনিক ভবন বন্ধ করে দেয় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। একই সঙ্গে ধারাবাহিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে প্রতিবাদ-অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। আজও প্রশাসনিক ভবনের দু’গেইটে দুপুর ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ-অবস্থানে বিভিন্ন বিভাগের শত শত শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন। প্রতিবাদ-অবস্থান কর্মসূচিতে আগামী ৮ ডিসেম্বর ক্যাম্পাসে মহাসমাবেশ করার ঘোষণা দেয় শিক্ষকরা।
শিক্ষক সমিতির সাধারণ সমপাদক পরিমল চন্দ্র বর্মণ বলেন, আগামী সোমবার অনুষ্ঠিত সমাবেশে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার মাধ্যমে উপাচার্যকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিতাড়িত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম নূর-উন-নবীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ইউজিসির (বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন) বাইরে আমি কিছুই করতে পারব না।
গত ২৭ অক্টোবর থেকে পদোন্নতি জটিলতা ও নানা দাবিসহ উপাচার্যকে স্মারকলিপি প্রদান করে শিক্ষক সমিতি। দাবি ফলপ্রসূ না হওয়ায় ৯ নভেম্বর থেকে ৩ দফায় ১৯ জন শিক্ষক পদত্যাগ করেন। দাবি নিয়ে শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ আলোচনায় গেলে উপাচার্য গুরুত্ব দেয়নি।গত ১৯ নভেম্বর শিক্ষক সমিতি উপাচার্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে। প্রতিবাদ অবস্থান ও আন্দোলন অব্যাহত রাখে।
এদিকে বিভাগীয় ডিন ও বিভাগীয় প্রধান শিক্ষক স্বল্পতা, গবেষণাগারের স্থাপন, শ্রেণী কক্ষ সংকট এবং প্রথম ৫টি ব্যাচের স্নাতক শেষ হলেও স্নাতকোত্তর কোর্স চালুর দাবিতে মাঠে নেমেছে ১০টি বিভাগ। একই সাথে শিক্ষক সমিতির সাথে আন্দোলনে সহমত প্রকাশ করে আন্দোলন অব্যহত রেখেছে চাকুরী স্থায়ী না হওয়া ১’শ ৫২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।