রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও ভূ-তত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কামরুল হাসান মজুমদারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি তদন্ত করছে বিশ্ববিদ্যালয় যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধ কমিটি। এছাড়া অভিযোগের প্রাথমিক পর্যালোচনা শেষে বিভাগীয় একাডেমিক কমটির সভায় অধ্যাপক কামরুল হাসানকে বিভাগের পরীক্ষা সংক্রান্ত কার্যক্রম এবং ছাত্রীদের গবেষণা সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধ কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মাহবুবা কানিজ কেয়া বলেন, ভুক্তভোগী ছাত্রীর অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পর্যালোচনা করা হয়েছে। এই বিষয়ে তদন্ত এখনো চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করা যাবে না।
অভিযুক্ত শিক্ষক অধ্যাপক কামরুল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। তিনি ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনও রিসিভ করেননি।
সূত্র জানায়, গত অক্টোবরের শেষের দিকে ভূ-তত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের প্রথম বর্ষের একছাত্রী অধ্যাপক কামরুল হাসানের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধ কমিটির কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।
সূত্র মতে, শিক্ষক কামরুল হাসান মোবাইল ফোনে ওই ছাত্রীকে একাধিকার আপত্তিকর প্রস্তাব দেন। তার প্রস্তাবে সম্মত হলে বিভাগে ভালো ফলাফলের নিশ্চয়তাসহ শিক্ষক হওয়ার লোভনীয় সুযোগের ব্যাপারেও প্রলুব্ধ করার চেষ্টা করা হয়। তবে ওই ছাত্রী তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধ কমিটির কাছে লিখিত অভিযোগ করতে বাধ্য হন।
