ছাত্রলীগ ও পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষের জের ধরে গতকাল বৃহস্পতিবার কুমিল্লার পদুয়ার বাজার এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ব্যারিকেড দেয়া হলে ৪০ কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়। এই ঘটনায় কুমিল্লা-নোয়াখালী, কুমিল্লা-চাঁদপুর ও কুমিল্লা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহাসড়কের যাত্রীরাও চরম দুর্ভোগের শিকার হন।
পরিবহন মালিক সমিতির সদস্য শাহ আলম বলেন, শ্রমিক নেতার ওপর হামলা ও চাঁদা দাবির কারণে আমরা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হই। ছাত্রলীগ কর্মী দুলাল হোসেন অপু জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও কুমিল্লা-নোয়াখালী সড়কে শ্রমিক নেতাদের চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ছাত্রলীগের নেতৃত্বে স্থানীয়রা অবস্থান নেয়ায় পরিবহন নেতা-কর্মীরা এ ঘটনা ঘটায়। হাইওয়ে পূর্বাঞ্চলের পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম জানান, হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেয়া হলে বিকাল সোয়া ৫টার দিকে শ্রমিকরা ব্যারিকেড তুলে নিলে যানবাহন চলাচল শুরু হয়। আহত দুই শ্রমিক নেতাকে নগরীর জেনারেল (সদর) হাসপাতাল ও একটি প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
