দুর্ঘটনায় তিন ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় সোমবার থেকে রাজশাহী কলেজে চারদিনের শোক পালিত হচ্ছে। শোকের মধ্যেই কলেজের শিক্ষার্থীরা হতাহতদের জন্য ক্ষতিপূরণ এবং যাতায়াতের জন্য নিজস্ব বাসের দাবিতে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে। অন্যদিকে দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী হতাহতের ঘটনায় রবিবার রাতেই দুই বাসের চালক ও সহযোগীদের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা এবং কলেজ কর্তৃপক্ষ ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। এদিকে রাতেই তানিয়া হক মাহমুদা ও শারমিন আকতার এবং বিউটি খাতুনকে সোমবার দুপুরে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে। রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিত্সাধীন ৮ ছাত্রী আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, রাজশাহী কলেজের শিক্ষার্থীদের পরিবহনে ৮টি বাস রয়েছে। এর একটি বাস কলেজের নিজস্ব। বাকি ৭টিই ভাড়া করা। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ভাড়া বাসের সবই লক্কর-ঝক্কর ও ফিটনেসবিহীন। ১১ ডিসেম্বর বাদ জোহর কলেজ মসজিদে নিহতদের আত্মার মাগফেরাত ও আহতদের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত পরীক্ষা সময়মত অনুষ্ঠিত হবে।
