লক্ষ্মীপুরে আটকের পর যুবদল কর্মীকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ

আপডেট : ১০ ডিসেম্বর ২০১৪, ১২:২৩
 
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে রনি নামে এক যুবদল কর্মীকে আটকের পর গুলি করে হত্যার অভিযোগ করেছে তার পরিবার। তবে পুলিশ বলছে, বন্দুকযুদ্ধে তিনি মারা গেছেন। সোমবার রাত ১১টায় এই ঘটনা ঘটে। 
রনির বাবা মুকবুল আহমদ ও উত্তর জয়পুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ কুতুব উদ্দিন মাস্টার জানান, রনি যুবদল করার কারণে পরিকল্পিতভাবে পুলিশ গুলি করে তাকে হত্যা করেছে। সোমবার বিকালে পুলিশ লক্ষ্মীপুর ও বেগমগঞ্জ সীমান্তবর্তী এলাকার কন্টোক্টর ব্রিজ নামক স্থান থেকে তাকে আটক করে মাইক্রোবাসে করে উঠিয়ে নিয়ে যায়। পরে তার দুই চোখ বেঁধে পুলিশ বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করে। রাতে চন্দ্রগঞ্জের মোস্তফার দোকান নামক স্থানে গুলি করে তাকে হত্যা করে। 
তিনি আরো দাবি করেছেন, রনির বিরুদ্ধে থানায় কোন মামলা নেই। সে প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী এবং তানহা ইঞ্জিনিয়ারিং ও রনি ইঞ্জিনিয়ারিং এর মালিক। পুলিশকে চাঁদা না দেয়ায় তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনা ধামাচাপা দিতে বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজানো হচ্ছে। 
চন্দ্রগঞ্জ থানার ওসি হুমায়ুন কবির রনিকে হত্যার কথা অস্বীকার করে জানান, সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ বাজারের লতিফপুর এলাকায় পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী সোলাইমান উদ্দিন জিসান বাহিনীর জিসানকে ধরতে রাতে ঐ এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এসময় সন্ত্রাসীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এসময় পুলিশ প্রায় ২১ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এতে সন্ত্রাসী জিসান বাহিনীর সহযোগী রনি নামে একজন গুলিবিদ্ধ হয়। পরে রাতে তাকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে আনার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত রনির বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।