এবার ১ হাজার একর জমিতে হচ্ছে নীটপোশাক পল্লী

আপডেট : ১৪ ডিসেম্বর ২০১৪, ১২:০৬

নীটওয়্যার পোশাক খাতের জন্য কমপ্লায়েন্ট সম্পন্ন কারখানা স্থাপনের লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জের শান্তির চর এলাকায় ১ হাজার একর জমিতে নীট পোশাক পল্লী গড়ে তোলা হবে। গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে নীটওয়্যার গার্মেন্টস মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএ’র এক অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এ ঘোষণা দেন। বর্তমানে মুন্সিগঞ্জের বাউশিয়াতে গার্মেন্টস পল্লী নির্মাণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এটির দেখভাল করছে বিজিএমইএ। তবে দীর্ঘদিন থেকেই নীট পোশাকের জন্য আলাদা পল্লী দাবি করে আসছিলেন এ খাতের উদ্যোক্তারা।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রায় ২৫ হাজার ক্রেতার (বায়ার) নাম ও ঠিকানাসহ একটি ডাইরেক্টরি প্রকাশ করেছে বিকেএমইএ। গতকাল এ ডাইরেক্টরির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সংগঠনটি। সংগঠনের সভাপতি সেলিম ওসমানের সভাপতিত্বে এ সময় শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু, নারায়ণগঞ্জের সংসদ সদস্য শামীম ওসমানসহ এ খাতের উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় নীটওয়্যার খাতের উদ্যোক্তারা তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। সেলিম ওসমান বলেন, আমাদের অন্যতম সমস্যাগুলোর মধ্যে রয়েছে বিদুত্ ও গ্যাস সংকট। তবে গ্যাস সংকটই অন্যতম সমস্যা। গ্যাসের সংকটের কারণে উত্পাদন ক্ষমতার ৪০ শতাংশ ব্যবহার করা যাচ্ছে না। এ সময় তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জেই অধিকাংশ নীটওয়্যার কারখানা রয়েছে। যেখানে ৭ লাখ শ্রমিক কাজ করে। সেখানে একটি ফায়ার সার্ভিস স্থাপন করা জরুরি। এছাড়া এই এলাকায় একটি হাসপাতাল স্থাপনেরও দাবি জানান সংসদ সদস্য শামীম ওসমান। এ সময় আলোচনায় অংশ নিয়ে শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, এ খাতের মালিক-শ্রমিকের মধ্যে এখনো কিছুটা দূরত্ব রয়ে গেছে। এ দূরত্ব কমাতে হবে।
উল্লেখ্য, “গ্লোবাল বায়ার্স ইনফরমেশন ডাইরেক্টরী” নামে প্রকাশিত বইটিতে পৃথিবীর ১৬০টি দেশের ২৫ হাজারের অধিক বায়ারের ঠিকানা এবং ব্যবসা সংক্রান্ত তথ্য রয়েছে। বইটিতে ইউরোপ ও আমেরিকার দেশগুলোর পাশাপাশি ল্যাটিন আমেরিকা, রাশিয়া, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জ, এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশের সম্ভাবনাময় দেশগুলোর আমদানি পরিসংখ্যান, মূল আমদানিকৃত পণ্যের তালিকা, শুল্ক ও অশুল্ক বাধা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেয়া হয়েছে।