ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৬৫ কিলোমিটার যানজট

আপডেট : ১৭ ডিসেম্বর ২০১৪, ০০:৪৬

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কুমিল্লা অংশ প্রায় ৬৫ কিলোমিটার লম্বা যানজটের সৃষ্টি হয়। সোমবার গভীর রাতে মহাসড়কের জেলার দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ এলাকায় একটি ট্রাক বিকল হয়। এতে রাত থেকেই যানজটের সৃষ্টি হয়। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরের দিকে সেনানিবাস সংলগ্ন নাজিরাবাজার এলাকায় পৃথক স্থানে আরও ২টি ট্রাক বিকল হয়ে পড়লে দিনভর এ মহাসড়কে যানজট তীব্র আকার ধারণ করে। নৈশকোচসহ সব যানবাহনের যাত্রী ও অ্যাম্বুলেন্সের রোগীসহ বিভিন্ন পরিবহনে মানুষকে দুঃসহ ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয়। যানজট নিরসনে দিনভর হাইওয়ে ও সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে হিমশিম খেতে হয়।

হাইওয়ে ও থানা পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে মহাসড়কের দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ এলাকায় একটি ট্রাক বিকল হয়ে পড়ে। এসময় ঢাকা-চট্টগ্রাম অভিমুখী নৈশকোচসহ বিভিন্ন যানবাহন উভয় দিকে আটকা পড়ে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরের দিকে মহাসড়কের সেনানিবাস সংলগ্ন নাজিরাবাজার এলাকায় একটি ট্রাক এবং আড়াইটার দিকে একই এলাকায় আরও একটি ট্রাক বিকল হয়ে পড়লে মহাসড়কে যানজট তীব্র আকার ধারণ করে। উভয় দিকের গাড়ির চাপে মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার লালবাগ পর্যন্ত প্রায় ৬৫ কিলোমিটার অংশে যানজটের সৃষ্টি হয়। যাত্রীবাহী বাস, রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স ও ভিআইপিদের যানবাহন ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকা পড়ে দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্সের যাত্রী ফরিদ মিয়া জানান, সকাল ৮টার দিকে ঢাকা থেকে রওয়ানা হয়ে বিকাল সাড়ে ৩টায় রোগী নিয়ে কুমিল্লা শহরে পৌঁছেন। মহাসড়কে যানজটে আটকাপড়া কিছু যাত্রীবাহী বাস বিকল্প পথে চলাচল করায় কুমিল্লা নগরীতেও যানজটের চাপ পড়ে। দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িগুলো সরিয়ে নেয়ার পর যানবাহন চলাচল কিছুটা স্বাভাবিক হয়। বিকাল ৫টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মহাসড়কে থেমে থেমে যানবাহন চলাচল করছিল। হাইওয়ে পূর্বাঞ্চলের পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম পিপিএম জানান, মঙ্গলবার বিজয় দিবসের ছুটি থাকায় বনভোজনের গাড়ি, প্রাইভেট বাহন, রপ্তানিমুখী ও পণ্যবাহী ট্রাক-কাভার্ড ভ্যানের চলাচল বৃদ্ধি পায়। এরমধ্যে মহাসড়কের ইলিয়টগঞ্জ ও নাজিরাবাজার এলাকায় ৩টি দুর্ঘটনার কারণে এ যানজটের সৃষ্টি হয়।