সকলের সহযোগিতায় বাংলাদেশ পোশাক শিল্পসহ সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে এগিয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন বিদায়ী মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনা।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাত্ শেষে সাংবাদিকদের কাছে এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
বাংলাদেশের চামড়া, ওষুধ ও তথ্যপ্রযুক্তি সেবাখাতের ব্যাপক প্রশংসা করে মজীনা বলেন, এসব খাতে বিপ্লব ঘটেছে। এসব খাতে যেমন শত শত কোটি ডলার বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে, তেমনি বিশ্ববাজারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের চামড়াজাত পণ্য ও ওষুধের রফতানি বাড়বে। আর তথ্য প্রযুক্তি সেবা রফতানির মাধ্যমে যা আয় হবে সেটা হবে শতভাগ মূল্য সংযোজন। মেধার মাধ্যমে বাংলাদেশ এটা অর্জন করবে।
বৈঠকের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা ফলপ্রসু আলোচনা করেছি। তৈরি পোশাক শিল্প, শ্রমিক অধিকার, ইপিজেড, চামড়া শিল্প, আইটি, ওষুধ শিল্প নিয়েও আলোচনা করেছি। তিনি আরও বলেন, সব ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উন্নয়ন ঘটাচ্ছে। বাংলাদেশের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উষ্ণ আন্তরিক সম্পর্ক ও উন্নয়ন সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
বৈঠক প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, বৈঠকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও আমাদের রফতানি কীভাবে আরো বাড়ানো যায় সেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জিএসপি সুবিধা প্রাপ্তি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন জিএসপি সুবিধা প্রদান বন্ধ রেখেছে। কোনো দেশই এখন জিএসপি সুবিধা পাচ্ছে না। যদি মার্কিন কংগ্রেস সিদ্ধান্ত নেয় তাহলে পাওয়া যাবে। তবে কবে নাগাদ এই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে তা মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিশ্চিত করতে পারেন নি।
