গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার উড়িয়া ইউনিয়নে শনিবার আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড কাউন্সিলে সভাপতি পদের দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে এক সংঘর্ষে ১১ জন নেতা কর্মী আহত হয়েছেন।
তাদের মধ্যে গুরুতর মাইদুল ইসলাম (৪০), রেজাউল করিম (২৫), শহিদুল ইসলাম (৩০), ও মতিন মিয়াকে (৩৫) গাইবান্ধা সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এছাড়া কাশেম আলী (৬৫), সাদেক আলী (৩৫), জেকের আলী (৪০), কল্পনা বেগম (৩৫), ময়নাল হক (৪৮), মমিন মিয়া (৩৬) ও ফারুক হোসেন (২০) কে স্থানীয়ভাবে চিকিত্সা দেয়া হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে উপজেলার উড়িয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড আ’লীগের কাউন্সিল গুনভড়ি গ্রামে (স্থানীয়ভাবে এলাকাটি হাওয়া ভবন নামে পরিচিত) অনুষ্ঠিত শুরু হয়।
অনুষ্ঠানে যোগ দিতে উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম, উপজেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল গফুর মন্ডল, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আজহারুল ইসলাম বাবলু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অশ্বনী কুমার বর্মণ, উদাখালী ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারন সম্পাদক শহিদুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত হন।
কাউন্সিল অনুষ্ঠান শুরুতেই স্থানীয় আ’লীগ নেতা আলী আজম কাউন্সিলে ওয়ার্ড সভাপতি পদে তার নিজের নাম ঘোষণা করেন। একটু পরে একই পদে মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম তার নিজের নাম ঘোষণা করেন। এতে তাদের দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। উপস্থিত অথিতিদের সামনে দুই সভাপতির সমর্থকরা একে অপর পক্ষের উপর চড়াও হয়। একপর্যায়ে লাঠিসোটা নিয়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় কাউন্সিলে উপস্থিত অতিথি নেতারা পরিস্থিতি শান্ত করতে গিয়ে ব্যর্থ হয়।
ফুলছড়ি থানার ওসি মসিউর রহমান জানান, খবর পেয়ে ফুলছড়ি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ফুলছড়ি উপজেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক জিএম সেলিম পারভেজ বলেন, বিএনপি-জামায়াত কিছু অনুপ্রবেশকারী হাইব্রিড লোক আ’লীগের নেতা সেজে ওয়ার্ড পর্যায়ের কমিটি গঠনের পাঁয়তারা করছিল। এ ব্যাপারে ফুলছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অবগত নন। অগঠনতান্ত্রিক এ কাজের জন্য তাদের বিরুদ্ধে দলীয় ফোরামে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
