ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত ছয় কার্যদিবস ধরে লেনদেন হচ্ছে ৩০০ কোটি টাকার নিচে। ১১ ডিসেম্বর স্বয়ংক্রিয় লেনদেন ব্যবস্থা চালুর পর থেকেই লেনদেন কম হচ্ছে। তবে দিনে দিনে লেনদেন কিছুটা বাড়ছে। ১১ ডিসেম্বর ১৩৬ কোটি টাকা লেনদেন হলেও রবিবার পর্যন্ত তা বেড়ে ২৩৭ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। লেনদেনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে ইঞ্জিনিয়ারিং খাত।
তথ্যে দেখা গেছে, ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৬ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৮৪৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ সূচক ২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৭৯০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৩৭ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ৩০৭টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১১২টির, কমেছে ১৬০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৫টি কোম্পানির শেয়ারের। অপর দিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৯৫৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ২১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ১ কোটি টাকা কম। লেনদেনকৃত ২৫১টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৮৪টির কমেছে ১২৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৯টি কোম্পানির শেয়ারের।
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, বস্ত্র খাতের তুং হাই নিটিং অ্যান্ড ডাইংয়ের লেনদেন আজ সোমবার থেকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে হবে। কোম্পানিটি ২০১৪ সালের জন্য বিনিয়োগকারীদেরকে ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়ে ‘এন’ থেকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হয়েছে। গত ২ ডিসেম্বর কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) সভায় ঘোষিত লভ্যাংশ অনুমোদন হয়।
