বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, প্রাবন্ধিক, কলামিস্ট ও বঙ্গবন্ধু ইনস্টিটিউট অব লিবারেশন ওয়ার এন্ড বাংলাদেশ স্টাডিজের পরিচালক প্রফেসর শহিদুল ইসলাম বলেছেন, বাঙ্গালীর সব অর্জনের সাথে ইত্তেফাকের ভূমিকা রয়েছে। ধর্মান্ধতা ও মৌলবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে ইত্তেফাক বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের উম্মেষ ঘটিয়েছে। ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া নিজেই একটি ইনষ্টিটিউশন। তার মুসাফির কলাম বাঙ্গলীর মুক্তির সংগ্রামকে উদজীবিত করেছে। তার রচিত আমার দেখা রাজনীতি গ্রস্থ এ জাতিকে পথ দেখিয়েছে। প্রগতিশীল ধারার এ প্রত্রিকাটি দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় আমাদের সাথেই রয়েছে। ভবিষ্যতে পত্রিকাটি আমাদের প্রত্যাশা ছাপিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। গোপালগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমীর হল রুমে বুধবার সন্ধ্যায় দৈনিক ইত্তেফাকের ৬২ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সুধি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
দৈনিক ইত্তেফাকের গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি খোন্দকার এহিয়া খালেদ সাদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সুধি সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহসভাপতি সিকদার নূর মোহাম্মদ দুলু, জেলা সিপিবির সাধারন সম্পাদক অধ্যক্ষ আবু হোসেন ও সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ মোহাম্মদ ইউসুফ আলী।
অন্যান্যের মধ্যে সাংবাদিক রবীন্দ্র নাথ অধিকারী, জেলা উদীচীর সভাপতি মোঃ নাজমুল ইসলাম, সাবেক শিক্ষক লতিফা জামাল চৌধূরী, গোপালগঞ্জ সোস্যাল ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশনের সভাপতি আইটি বিশেষজ্ঞ কাজী হারুন অর রশীদ মিরন, সরকারি বঙ্গবন্ধু কলেজের অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক সঞ্জয় বল,সাংবাদিক মোর্শেদায়ান নিশান প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।
আনুষ্ঠানে শুরুতে প্রধান অতিথি অন্যান্য অতিথিদের সাথে নিয়ে ইত্তেফাকের ৬২ তম জম্ম দিনের কেক কেটে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন।
বিকাল থেকেই জেলা শিল্পকলা একাডেমীর হল রুমে রাজনৈতিক, সামাজিক সাংস্কৃতিক, শ্রমজীবি, পেশজীবি সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ আসতে শুরু করেন। অনুষ্ঠান শুরুর আগেই হল রুম অতিথিদের পদ চারনায় মুখরিত হয়ে ওঠে। অতিথিরা আসন গ্রহন করার পর দৈনিক ইত্তেফাকের কোটালীপাড়া সংবাদদাতা গৌরাঙ্গ লাল দাস, টুঙ্গিপাড়া সংবাদদাতা বি.এম গোলাম কাদের, কাশিয়ানী সংবাদদাতা শেখ আহাদুল হাসান, মুকসুদপুর সংবাদদাতা খোন্দকার বেলায়েত হোসেন অভ্যাগতদের ফুল দিয়ে বরন করে নেন। তারপর শুরু হয় অনুষ্ঠানের মূল আনুষ্ঠানিকতা।
সুধি সমাবেশ শেষে জেলা শিল্পকলা একডেমীর শিল্পীরা সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শেষে প্রধান অতিথি প্রফেসর শহিদুল ইসলাম সংগীত পরিবেশন করে সবাইকে আনন্দ দেন।
অনন্দঘন এসব অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সবাইকে ইত্তেফাকের পক্ষ থেকে কেক, মিষ্টি ও গোপালগঞ্জের অন্যান্য উপাদেয় খাবার পরিবেশন করে আপ্যায়ন করা হয়।