প্রচণ্ড শীতে কাঁপছে নাগেশ্বরীর মানুষ। জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এলাকাবাসীর। তিন দিনেও সূর্যের দেখা মেলেনি। প্রায় সারা দিনই আছন্ন থাকছে ঘন কুয়াশায়। সবচেয়ে বিপদে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ। বাড়ছে শীতজনিত রোগের প্রকোপ।
মধ্য পৌষের প্রচণ্ড শীত ও হিমালয়ের পাদদেশ হিমেল হাওয়ায় কাটার মতো বিঁধছে শীতার্তদের শরীরে। এতে সবচেয়ে বিপদে পড়েছে শ্রমজীবী নিম-্নআয়ের মানুষ। পর্যাপ্ত গরম কাপড় না থাকায় তারা খড়-কুটো জ্বালিয়ে উত্তাপ নেয়ার চেষ্টা করছেন। কাজে বেরোতে না পারায় অনেকটা উপোষে দিন কাটছে তাদের।
শীতজনিত রোগে বেশি আক্রান্ত হয়ে পড়ছে শিশু ও বৃদ্ধরা। হাসপাতালে প্রতিদিন আসছে সর্দি-জ্বর, শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি ও নিউমনিয়ায় আক্রান্ত রোগী। ঠাণ্ডায় কৃষক এখনো মাঠে নামতে না পারায় বিঘ্নিত হচ্ছে আসন্ন বোরো মৌসুমে জমি তৈরির কাজ। এরই মধ্যে সরকারি ও বেসরকারিভাবে শীতার্তদের কিছু শীতবস্ত্র দিলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম।
উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোকছেদুর রহমান বলেন, বেড়েছে ঠাণ্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত শিশু ও বৃদ্ধ রোগীর সংখ্যা। বেশির ভাগই প্রাথমিক চিকিত্সা নিয়ে বাসায় ফিরছেন।
