শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি ফেরি সার্ভিস ঘন কুয়শার কারণে সাড়ে ১২টা ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর সোমবার সকাল ১১টায় চালু হয়েছে। এর আগে রবিবার রাত সাড়ে ১০টা থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ ফেরি সার্ভিস বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় ধরে ফেরি ‘কাকলীতে’ নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান এবং ফেরি ‘ফরিদপুরে’ বাহাউদ্দিন নাসিম এমপি মাঝ পদ্মায় আটকা পড়ে ছিলেন। দু’জনই কাওড়াকান্দি থেকে রাজধানী ঢাকার উদ্দেশ্যে শিমুলিয়া ঘাটে ফিরছিলেন।
এই দুইটি ফেরিসহ মাঝ পদ্মায় সহস্রাধিক যাত্রী নিয়ে আটকা পরা ফেরি শাহ পরান, আমানত শাহ, বীরশ্রেষ্ঠ রহুল আমিন, রানীক্ষেত, রানীগঞ্জ, থোবাল, রায়পুরা ও কলমীলতা গন্তব্যে ফিরছে।
এদিকে দীর্ঘ সময় ধরে ফেরি বন্ধ থাকায় দুই পারে নাইট কোচসহ ৬শ’ যান পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে।
শিমুলিয়া ঘাটে কর্মরত বিআইডব্লিউটিসির ম্যানেজার সিরাজুল হক বলেন, ‘কুয়াশা চাঁদর এমনভাবে ঢাকা পড়েছে- খুব কাছের বস্তুও দেখা যাচ্ছিল না। নদীর মার্কিং পয়েন্ট ও বিকন বাতিগুলো না দেখতে পাওয়ায় দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরি সার্ভিস রবিবার রাত সাড়ে ১০টা থেকে বন্ধ রাখা হয়েছিল। তবে কুয়াশা কেটে যাওয়ায় সোমবার বেলা ১১টার সামান্য আগে চলাচল শুরু হয়েছে।
মাদারীপুরের নির্বাচনী এলাকার কাজ শেষে রাত পৌনে ১০টা নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান এমপি ও রাত সোয়া ১০টায় বাহাউদ্দিন নাসিম এমপি কাওড়াকান্দি ঘাট থেকে রওনা হন। কিন্তু প্রায় দেড় কিলোমিটার এগুতেই শীবচর উপজেলার বাংলাবাজারের চেয়ারম্যান বাড়ির কাছে এসেই রাত সাড়ে ১০টায় ঘন কুয়াশায় আটকা পরেন তারা। আওয়ামী লীগের এই দুই নেতার ফেরি কাছাকাছি অবস্থানে ছিল। সেখানে নিরাপত্তা জোরদার রাখা হয়। এর আগে রবিবার রাত ১০টা থেকেই শিমুলিয়া ঘাট এলাকায় ঘন কুয়াশার কারণে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছিল।
