হবিগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলা, পুলিশ সুপারের বাসভবনের সামনে পেট্রোল বোমা নিপে ও বিস্ফোরণের অভিযোগে বিএনপির ২৫০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার পর্যন্ত ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে অন্তত ২০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। এর মধ্যে চারজনকে এসব মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলায় রবিবার হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জি কে গউছকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেয় আদালত। এর প্রতিবাদে বিএনপি নেতাকর্মীরা শহরে ভাংচুর চালায়। এ সময় তারা পুলিশের ওপর হামলা করে। এতে সদর থানার ওসি নাজিম উদ্দিন গুরুতর আহত হন। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে পুলিশের ওপর হামলা এবং দ্রুত বিচার আইনে পৃথক দুইটি মামলা দায়ের করে। এদিকে রাতে পুলিশ সুপারের বাসভবনের সামনের রাস্তায় দুর্বৃত্তরা পেট্রোল বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। পরে পুলিশ সেখান থেকে বিস্ফোরণের আলামত উদ্ধার করে। ঐ ঘটনায় বিস্ফোরণ আইনে পুলিশ আরো একটি মামলা দায়ের করে। এ সময় মামলায় প্রায় ২৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম।
তিনি জানান, সোমবার পর্যন্ত ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে অন্তত ২০ জনকে আটক করা হয়েছে। যেকোন ধরণের নাশকতা ঠেকাতে শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
একটি সূত্র জানায়, এসব মামলায় আসামিদের মধ্যে পৌর কাউন্সিলর মাহবুবুল হক হেলাল, সাবেক কাউন্সিলর নানু মিয়া, জেলা যুবদল সভাপতি আজিজুর রহমান কাজল, সাধারণ সম্পাদক মিয়া মোহাম্মদ ইলিয়াছ, সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল আহমেদ ও জেলা ছাত্রদল আহ্বায়ক তাজুল ইসলাম চৌধুরী ফরিদ রয়েছেন।
