শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি ফেরি সার্ভিস ঘন কুয়শায় সোয়া ৯ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৯টায় চালু হয়েছে। এর আগে সোমবার রাত সাড়ে ১১টা থেকে দেশের গুরুত্বপূর্ণ ফেরি সার্ভিসটি বন্ধ হয়ে গেলে চরম দুর্ভোগে পড়ে যাত্রী সাধারণ। এই সময় ধরে মাঝ পদ্মায় পাঁচ শতাধিক যাত্রী নিয়ে আটকা পড়ে ফেরি শাহ পরান, রাণীগঞ্জ, থোবাল ও করবী। কনকনে শীতে এই চার ফেরি যাত্রীদের কষ্টের যেন সীমা ছিল না। এই দীর্ঘ সময় ফেরি বন্ধ থাকায় উভয় পারে ৬শ’ যান পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। তাই সৃষ্টি হয়েছে যানজট।
শিমুলিয়া ঘাটে কর্মরত বিআইডব্লিউটিসির সহকারী ম্যানেজার সাফায়েত হোসেন জানান, সোমবার রাত সাড়ে ১১ টার কিছু আগে কুয়াশা চাঁদর এমনভাবে ঢাকা পড়েছে- খুব কাছের বস্তুও দেখা যাচ্ছিল না। নদীর মার্কিং পয়েন্ট ও বিকন বাতিগুলো না দেখতে পাওয়ায় দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরি সার্ভি বন্ধ রাখা হয়। তবে কুয়াশা কেটে যাওয়ার পর মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৯টা থেকে ফেরি চলাচল স্বাভবিক হয়েছে। তবে দু’পারে প্রায় ৬ শ’ যান ১৭টি ফেরি দিয়ে পারপার করে কুলিয়ে উঠা যাচ্ছে না। গত কয়েকদিন ধরে ঘন কুয়াশায় দীর্ঘ সময় ফেরি বন্ধ থাকায় এখানে মানুষের দুভোর্গ লেগেই আছে। কুয়াশার কারণে দীর্ঘ সাড়ে ১২ ঘন্টা বন্ধ থাকার পর সোমবার বেলা ১১ টায় আবার চালু হয়েছে। এই সময় ধরে নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান এবং বাহাউদ্দিন নাসিম এমপিসহ সহস্রাধিক যাত্রীর কষ্ট ছিল অবর্ণনীয়। এছাড়া ঘনঘন ফেরি বন্ধ থাকায় পন্যবাহী ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান যথা সময়ে পারাপার ব্যহত হওয়ায় উত্পাদিত কৃষি পন্য বাজার জাত ও নৃত্য প্রয়োজনীয় পন্য আনা নেয়ায় সমস্যা হচ্ছে। এতে এই অঞ্চলের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পরছে।
