জাতীয় দলে নাসির হোসেনের জায়গা নিয়েছে সাব্বির রহমান রুম্মন। প্রিমিয়ার লিগের মাঝামাঝি থেকে অন্তত নাসির হোসেন নিজের সেই ‘ফিনিশার’ পরিচয়টা প্রবলভাবে ফিরিয়ে এনে জায়গাটা ফেরত চাইছেন। ব্যাটে এ ক দিন নাসিরকে সমানেই জবাব দিচ্ছিলেন সাব্বির। এবার জমলো দু জনের ব্যাটে-বলে লড়াই।
মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে একদিকে ব্যাটে ঝড় তুললেন নাসির, অন্যদিকে স্বল্প খ্যাত লেগস্পিন দিয়ে নাসিরের দল আবাহনীকে ধুলিস্যাত করে দিলেন সাব্বির।
টসে জিতে আবাহনীকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিল কলাবাগান অ্যাকাডেমি। দলীয় ৬৫ রানে তাদের দুই ওপেনারকে তুলে নেন মেহেদী ও নাবিল সামাদ। এর পরের টুকু স্রেফ নাসির বনাম সাব্বির লড়াই। একদিকে নাসির ঝড় চালিয়ে গেছেন, অন্য দিকে একটার পর একটা উইকেট ঝুলিতে পুরে আবাহনী দলীয় স্কোর সামাল দিয়ে রেখেছেন সাব্বির। ৯৮ বলে ১৩টি চারে সাজানো ১০৪ রানের ইনিংস খেলে ওই সাব্বিরের বলেই নাবিল সামাদকে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন নাসির। সাব্বির এরপর তুলে নিয়েছেন আরও ৩ উইকেট। সবমিলিয়ে ১০ ওভার বল করে ৪৩ রান দিয়ে ক্যারিয়ার সেরা ৬ উইকেট শিকার করেছেন সাব্বির। ৫০ ওভারে ২৪৭ রানে থামে আবাহনী।
এরপরও ম্যাচটা আবাহনীর হাতেই ছিল।
নিয়মিত রানআউট, জুবায়ের হোসেন লিখন ও শুভাশীষদের বোলিংয়ে কলাবাগান অ্যাকাডেমি খেলা থেকে ছিটকে যাচ্ছিল। মিডল অর্ডারে তাদের খেলায় ধরে রেখেছিলেন ৮২ রান করা মাহমুদুল হাসান। তারপরও খেলা গড়ালো শেষ ওভারে। শেষ ওভারে কলাবাগানের হাতে ছিল ১টি উইকেট, দরকার ছিল ৫ রান। প্রথম বলেই ইরফান শুকুর বাউন্ডারি মেরে ম্যাচটা তালুতে পুরে ফেললেন। এরপর টানা তিনটি ডট বল। শেষ পর্যন্ত পঞ্চম বলে সিঙ্গেল থেকে এলো অ্যাকাডেমির জয়।
