উত্তর কোরিয়ার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা

আপডেট : ০৩ জানুয়ারি ২০১৫, ১১:৩৫
 
 
সিনেমা নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সনি পিকচার্সের সাইবার হামলার জের ধরে শুক্রবার এক নির্বাহী আদেশে উত্তর কোরিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। শুনিবার বিবিসির অনলাইনে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
উত্তর কোরিয়ার তিনটি প্রতিরক্ষা কোম্পানিসহ সরকারের ১০ জন ব্যক্তির ওপরে এই নিষেধাজ্ঞা এসেছে। নিষেধাজ্ঞার জবাবে উত্তর কোরিয়ার কোনো প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি। তবে, সনি পিকচার্সে হামলার অভিযোগ তারা শুরু থেকেই নাকচ করে এসেছে।
নিষেধাজ্ঞা জারির পর হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়ার ‘উস্কানিমূলক ও দমনমূলক আচরণের বিরুদ্ধে’ এই পদপে নেয়া হয়েছে।
উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কার্যক্রমের ওপরে আগে থেকেই নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র।
উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং-উনকে গুপ্ত হত্যার পরিকল্পনা নিয়ে ‘দ্য ইন্টারভিউ’ নামে একটি কমেডি সিনেমা বানায় সনি পিকচার্স।
এই সিনেমা মুক্তির তারিখ ঘোষণার ক’দিন পরই সাইবার হামলা হয় সনি পিকচার্সের।
হামলার জন্য উত্তর কোরিয়াকে দোষারোপ করে যুক্তরাষ্ট্র এবং এর যথোপযুক্ত জবাব দেয়ারও ঘোষণা দেন বারাক ওবামা।
উত্তর কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা দি রেকনেইসেন্স জেনারেল ব্যুরো, অস্ত্র ব্যাপারি প্রতিষ্ঠান দ্য কোরিয়া মাইনিং ডেভেলপমেন্ট ট্রেডিং কর্পোরেশন (কমিড), গোয়েন্দা সংস্থার গবেষণায় সাহায্যকারী প্রতিষ্ঠান কোরিয়া টানগুন ট্রেডিং কর্পোরেশনের ওপরে নিষেধাজ্ঞা এসেছে।
আর সরকারি যে দশজন কর্মকর্তার ওপরে নিষেধাজ্ঞা এসেছে তাদের মধ্যে রয়েছেন কমিড-এর রাশিয়া প্রতিনিধি জ্যাং সোং চোল, ইরান প্রতিনিধি কিম ইয়ং চোল এবং কমিডের হয়ে সিরিয়ায় কর্মরত দুই কর্মকর্তা রিউ জিন ও ক্যাং রেইওং।