বোলিং নিয়ে মূল পরীক্ষা দেয়ার আগে অনানুষ্ঠানিক পরীক্ষায় ব্যর্থ পাকিস্তান ক্রিকেট দলের মোহাম্মদ হাফিজ। ভারতের চেন্নাইয়ে একটি ইউনিভার্সিটির পরীক্ষাগারে নিজের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে পরীক্ষা দিয়ে পাস করতে পারেননি তিনি। ফলে মূল পরীক্ষার জন্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) কাছে আবেদন করবে না পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। তাই আগামী বিশ্বকাপের জন্য নির্বাচিত হলে স্পেশালিস্ট ব্যাটসম্যান হিসেবেই খেলবেন হাফিজ।
সর্বশেষ চ্যাম্পিয়ন্স লিগে হাফিজের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। এরপর গত নভেম্বরে আবুধাবিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে হাফিজের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে আইসিসি। বল করার সময় তার হাতের কনুই ১৫ ডিগ্রির বেশি ভাঙে। ফলে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে ব্যাটসম্যান হিসেবেই খেলেন তিনি।
নিউজিল্যান্ড সিরিজ শেষে নিজের বোলিং শোধরাতে পরবর্তীতে কঠোর পরিশ্রম করেন হাফিজ। কারণ, আইসিসির কাছে পরীক্ষা দিতে হবে তাকে। তার আগে চেন্নাইয়ের স্যার রামাচন্দ্র ইউনিভার্সিটিতে অনানুষ্ঠানিকভাবে নিজের সর্বশেষ অবস্থা জানতে পরীক্ষা দেন হাফিজ। কিন্তুতাতে ফেল করেন তিনি।
ঐ ইউনিভার্সিটিতে ১১টি বল ডেলিভার করেন হাফিজ। এর মধ্যে ৬টি ডেলিভারিতে হাফিজের কনুই ভাঙে ১৫ ডিগ্রির কিছুটা বেশি। আর বাকি পাঁচটি ডেলিভারিতে তার কনুই ভাঙে ১৭ থেকে ১৯ ডিগ্রির মধ্যে। ফলে ঐ ইউনিভার্সিটি লাল সংকেত দেখান হাফিজকে। তাই আইসিসির কাছে হাফিজের বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষার জন্য কোনপ্রকার আবেদন করবে না বলে জানায় পিসিবি। তাই আসন্ন বিশ্বকাপে চূড়ান্ত স্কোয়াডে সুযোগ পেলেও মূল লড়াইয়ে শুধুমাত্র ব্যাটসম্যান হিসেবেই খেলতে হবে হাফিজকে।
বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহের তালিকায় পাকিস্তানের মধ্যে হাফিজ ছাড়াও নাম ছিল সাইদ আজমলের। তবে আইসিসির কাছে পরীক্ষা দিয়েছেন তিনি। তাতে উত্তীর্ণ হতে না পারায় আইসিসি নিষিদ্ধ করেছে তাকে। সূত্র: ওয়েবসাইট।
