শিবগঞ্জে প্রশাসন কর্তৃক জারি করা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে জামায়াত বিএনপি মিছিল করায় পুলিশের সাথে সংঘর্ষে বিজিবির ১ সদস্য ও বিএনপি জামায়াতের ৬ কর্মীসহ প্রায় ৪০/৫০জন আহতের খবর পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসী, পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ৫ জানুয়ারি গণতন্ত্র রক্ষা দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগের ডাকে সোমবার বিকাল ৩টায় কানসাট কলেজ মাঠে জনসভা করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। পরে জামায়াত বিএনপি এটিকে গণতন্ত্র হত্যা দিবস আখ্যায়িত করে আওয়ামী লীগের জনসভা ভণ্ডুল করার পরিকল্পনা নিলে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করতে থাকে। এ পরিস্থিতিতে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ ইরতিজা আহসান বিকাল ৩টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কানসাট এলাকা ওশিবগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪৪ধারা জারি করেন। এ সময় জামায়াত বিএনপি ১৪৪ ধার ভঙ্গ করে কানসাট এলাকায় কালব্যাজ ধারণ করে মিছিল করলে যৌথবাহিনী বাধা দেয়ায় তারা যৌথবাহিনীর উপর হামলা চালায়। যৌথবাহিনীও পাল্টা গুলি চালালে কানসাট ইউনিয়নের শিবনারায়নপুর গ্রামের মোহা. ইয়াশিন মন্ডলের ছেলে মোহা. জমসেদ (৪৫) একই ইউনিয়নের শিবনগর গ্রামের মোহা. তালেব আলির ছেলে এরফান গুলিবিদ্ধ হয়। শ্যামপুর ইউনিয়নের চামাবাজার এলাকার মোহা. মফিজ উদ্দিনের ছেলে মোহা. মেহেদী হাসান, আ. আলিমের ছেলে মিজানুর (১৪), শরিফুলের ছেলে আজাদ ও খাইরুলের ছেলে শাহীন গুরুতর আহত হয়। আহতের মধ্যে জমসেদ, এরফান, ও মেহেদী হাসানকে শিবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসার পর রাজশাহী পাঠানো হয়েছে। এ সময় পুলিশ কয়েকজনকে আটক করেছে। অন্যদিকে একই সময়ে শিবগঞ্জ বাজারে জামায়াত বিএনপি কালব্যাজ ধারণ করে মিছিল করার সময় ১৩/১৪টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। এ সময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে সক্ষম হলে তারা গা ঢাকা দেয়। এ ব্যাপারে শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহা. মাইনুল ইসলাম জানান পরিস্থিতি এখন যৌথবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে এবং কানসাট ও শিবগঞ্জ পৌর এলাকায় অতিরিক্ত যৌথবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
