জাতিসংঘের সামনে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ

আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০১৫, ১৬:২৫
 
দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে গুলশান কার্যালয়ে অবরুদ্ধ এবং সারা দেশে নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশ এবং ক্ষমতাসীন দলের হামলার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির বিবাদমান দুইটি অংশ নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দফতরের সামনে পৃথক বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। স্থানীয় সময় সোমবার দুপুরে এই বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়।
একপক্ষে ছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সভাপতি আব্দুল লতিফ সম্রাট ও সিনিয়র সহ-সভাপতি গিয়াস আহমেদের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও  অঙ্গসংগঠনের নেতাদের একটি অংশ এবং অন্যপক্ষে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান জিল্লু ও সহ-সভাপতি শরাফত হোসেন বাবুর নেতৃত্বে আরেকটি অংশ।
উভয় সমাবেশ থেকেই ৫ জানুয়ারিকে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ হিসাবে আখ্যায়িত করা হয় এবং বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে অবরুদ্ধ রাখার নিন্দা প্রকাশ করে অবিলম্বে তার মুক্তি ও মধ্যবর্তী নির্বাচনের দাবি করা হয়। আব্দুল লতিফ সম্রাটের সভাপতিত্বে এবং গিয়াস আহমেদের পরিচালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতা হযরত আলী, ম. ই. শাহীন, সৈয়দা মাহমুদা শিরিন, জাকির হাওলাদার, যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতা এম এ বাতিন প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে আব্দুল লতিফ সম্রাট বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে গুলশান কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, এ সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।
গিয়াস আহমেদ বলেন, খালেদা জিয়াকে বন্দী এবং বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার ও সারা দেশে ১৪৪ ধারা জারি করে আন্দোলন দমানো যাবে না। 
যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান জিল্লু ও সহ-সভাপতি শরাফত হোসেন বাবুর নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দের আরেকটি অংশ জাতিসংঘের সামনে পৃথক বিক্ষোভ সমাবেশ করে। বিক্ষোভ সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতা কাজী সাখাওয়াত হোসেন আজম, হেলাল উদ্দিন, জসীম ভুইয়া, আব্দুল খালেক আকন্দ, যুবদল নেতা আবু সাঈদ আহমেদ প্রমুখ।
বিক্ষোভ সমাবেশে জিল্লুর রহমান জিল্লু খালেদা জিয়াকে অবরুদ্ধ করার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে বলেন, সরকারে বিদায় ঘণ্টা বেজে উঠেছে। ১৪৪ ধারা তখনই জারি করে যখন সরকারের পায়ের নিচে মাটি থাকে না।
শরাফত হোসেন বাবু বলেন, সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছেড়ে যাব না।