নোয়াখালীর চৌমুহনীতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে যুবদলকর্মীসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন পুলিশসহ কমপক্ষে ২০ জন। নিহতরা হলেন- যুবদলকর্মী রুবেল (২২) ও মহসিন (২৪)। এছাড়াও জাহাঙ্গীর, সবুজ, শাহবুদ্দিন, পলাশসহ বেশ কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকাল সাড়ে চারটার দিকে অবরোধ সমর্থনে একটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি রেল গেইটে পৌঁছালে রাস্তার পাশে থাকা চার পুলিশ সদস্যকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। এ সময় পুলিশের ঐ সদস্যরা প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশের আরও সদস্য ঘটনাস্থলে পৌঁছালে শুরু হয় সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শতাধিক রাউন্ড গুলি ও টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। এতে যুবদলকর্মীসহ বেশ কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হন। এদের মধ্যে হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান রুবেল ও মহসিন।
নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ফরিদ উদ্দিন জানান, গুলিবিদ্ধ রুবেলকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে। তবে, মহসিনকে হাসপাতালে আনার পর তার মৃত্যু হয় বলে স্বীকার করেন আরএমও ফরিদ।
প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে বেগমগঞ্জ থানার ওসি আইনুল হক জানান, সংঘর্ষ চলাকালে অবরোধ সমর্থকরা ছয়টি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ ও কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাংচুর চালায়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
