'মীজান রহমান ছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গণিত বিশেষজ্ঞ'

আপডেট : ০৮ জানুয়ারি ২০১৫, ০৯:১৪
প্রথিতযশা অধ্যাপক, লেখক-গবেষক এবং কানাডার কার্লটন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর এমেরিটাস ড. মীজান রহমান ছিলেন একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গণিত বিশেষজ্ঞ। তিনি বাংলাদেশের গৌরব, অহংকার। তিনি প্রয়াত হলেও তাঁর গবেষণালব্ধ কাজ মানুষ স্মরণ করবে।
সদ্য প্রয়াত ড. মীজানের মৃত্যুতে কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার কামরুল আহসান এক গভীর শোক বার্তায় এ কথা বলেন।
শোকবাণীতে হাই কমিশনার  আরো বলেন, মহান এই শিক্ষাবিদের মৃত্যুতে বাংলাদেশ হারিয়েছে এক কীর্তিমান সন্তানকে যিনি দেশ ও কালের সীমানা পেরিয়ে বাংলাদেশের মর্যাদাকে তুলে ধরেছিলেন আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে। পরোপকারী, শিল্প-সংস্কৃতির প্রষ্ঠপোষক, বন্ধুবত্সল এবং সদাহাস্য এই প্রবীণ অধ্যাপকের প্রয়াণে কানাডা প্রবাসী বাংলাদেশীরা তাঁদের এক নির্ভরযোগ্য গুরুজনকে হারালো। 
মরহুমের স্মৃতি ও কর্মের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে হাই কমিশনার কামরুল আহসান বলেন, গণিত শাস্ত্রে অগাধ পান্ডিত্যের পাশাপাশি তিনি বহু আন্তর্জাতিকমানের গবেষণাগ্রন্থ প্রণয়ন করেছেন। কানাডা প্রবাসী বাংলাদেশী বহু ছাত্রছাত্রীদের জীবনে অনুপ্রেরণার অন্যতম উৎস হয়ে থাকবেন তিনি। গণিত শাস্ত্র নিয়ে সুগভীর গবেষণা এবং লেখালেখির পাশাপাশি তিনি নানাবিধ সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলেন। তাঁর বর্নাঢ্য জীবনের সুবিশাল কর্মের মাঝে তিনি বেঁচে থাকবেন আজীবন।  
মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে হাই কমিশনার তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, অধ্যাপক মীজান রহমানের চলে যাওয়াতে যে বিশাল শূন্যতা সৃষ্টি হলো, তা কখনোই পূরণ হবার নয়। জাতির এই কীর্তিমান সন্তানকে বাংলাদেশ এবং বিশ্বের নানা প্রান্তে বসবাসকারী বাংলাদেশীরা স্মরণে রাখবেন চিরকাল। 
এছাড়াও কানাডা প্রবাসী লেখক-সাংবাদিক-সাংস্কৃতিকর্মীরা তাঁর মৃত্যু্তে গভীর শোকাভিভূত। উল্লেখ্য, তিনি তাঁর দেহ মরণোত্তর দান করে গেছেন।