নড়াইলে বাস-ট্রাকে আগুন, পৌরসভার মেয়রসহ আটক ৯

আপডেট : ১১ জানুয়ারি ২০১৫, ২০:২৪
 
 
২০ দলীয় জোটের ডাকা অবরোধের ষষ্ঠ দিন রবিবার ভোরে নড়াইল-যশোর সড়কের সীতারামপুর নামক স্থানে একটি ট্রাকে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে ট্রাকের চালক সালাম সরদার আহত হয়েছে। এছাড়াও শনিবার রাতে নড়াইল-লক্ষীপাশা সড়কের হাতিরবাগান এলাকায় এক নৈশ্য কোচে পেট্রোল বোমা ছুড়ে মারলে বাসটি ভষ্মিভূত হয়ে যায়।
 
এসব ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নড়াইল জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও নড়াইল পৌরসভার মেয়র জুলফিকার আলী, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মাইজপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাহবুব মোর্শেদ জাপলসহ নয়জনকে আটক করেছে পুলিশ।
 
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, শহরের রুপগঞ্জ বাজার কাউন্টার থেকে ঢাকাগামী ঈগল পরিবহনের একটি নৈশ কোচ ৩০ জন যাত্রী নিয়ে শহরের রুপগঞ্জ বাজার ছেড়ে হাতিরবাগান এলাকায় পৌঁছালে একদল দুর্বৃত্ত যাত্রীবাহী বাসের ভেতর পেট্রোল বোমা ছুড়ে পালিয়ে যায়। দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়লে যাত্রীরা বাস থেকে নেমে যায়। এ সময় অগ্নিদদ্ধ যশোরের চাড়াভিটা এলাকার হবি খান (৫৫) ও শুখদেবকে (৪৫) উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে চিকিত্সা দেয়।  
 
নড়াইল সদর থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, ঈগল পরিবহনের একটি নৈশ কোচে পেট্রোল বোমা ছুড়ে আগুন দেয়ার ঘটনায় নড়াইল সদর থানার এসআই সঞ্জয় কুমার ঘোষ বাদী হয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের শিকদার, নড়াইল পৌরসভার মেয়র ও জেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক জুলফিকার আলী জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাহবুব মোর্শেদ জাপল, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলামসহ ২৭জনের নাম উল্লে­খ করে এবং অজ্ঞাত আরো  ৫৫/৬০ জন ব্যক্তিকে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এছাড়া ট্রাকে আগুন দেয়ার ঘটনায় নড়াইল সদর থানার এসআই কাসেম বাদী হয়ে ২৮ জনের নাম উল্লেখসহ আরো অজ্ঞাত ৫০/৬০ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশের খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।