বিশ্বকাপ: ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে দর্শকদের জন্য ‘আচরণ বিধি’

আপডেট : ১৫ জানুয়ারি ২০১৫, ২০:৫৮
 
 
অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ। টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় দিনেই অস্ট্রেলিয়ার এডিলেড ওভালে মুখোমুখি হচ্ছে ক্রিকেটের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী উপমহাদেশের ভারত-পাকিস্তান। টুর্নামেন্টের সবচেয়ে হাই প্রোফাইল ম্যাচ হিসেবে স্বীকৃত এ ম্যাচটি। কিন্তু উত্তেজনা, ক্রিকেটের সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ম্যাচটি ঘিরে মাঠের বাইরেও দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে থাকবে আবেগ, উত্তেজনা। থাকবে মাঠের গ্যালারিতেও। যা নিয়ে চিন্তিত আয়োজকরাও। তবে তাত্ক্ষণিকভাবে যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে প্রস্তুত এডিলেড ওভাল।
 
ভারতের হিন্দুস্তান টাইমস পত্রিকায় প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ম্যাচটিতে দর্শকদের জন্য আচরণবিধি নির্ধারণ করেছে এডিলেড ওভাল স্টেডিয়াম ম্যানেজমেন্ট অথরিটি। যে সকল দর্শক ইতোমধ্যেই আকর্ষণীয় এ ম্যাচের টিকিট সংগ্রহ করতে পেরেছে সে সকল দর্শকদের জন্য ৮৫ পয়েন্ট উল্লেখ করে ‘আচরণবিধি’ তৈরী করেছে স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষ।
 
রিপোর্ট অনুযায়ী স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষ এবং আইসিসি ধর্মীয় অথবা রাজনৈতিক স্লোগান সমন্বিত যে কোনো ধরনের ব্যানার স্টেডিয়ামে নিষিদ্ধ করেছে। যাতে করে এ ধরনের কোনো ব্যানারের কারণে পার্শ্ববর্তী দুই দেশের সমর্থকদের মধ্যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার সৃষ্টি না হয়।
সম্প্রতি ভুবনেশ্বরে হকি চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে পাকিস্তান দলের আচরণের কারণে সৃষ্ট সমস্যার কারণে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
 
সেমিফাইনালে ভারতকে হারানোর পর পাকিস্তান খেলোয়াড়রা জার্সি খুলে দর্শক ও ভারতীয় মিডিয়ার প্রতি অশোভন অঙ্গভঙ্গি ও আচরণ করেন। যা ফলে পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের নিষিদ্ধ এবং কর্মকর্তাদের সতর্ক করে দেয়া দেয়া হয়।
 
সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ভারতের মধ্যকার পার্থের ম্যাচের জন্যও এরকই আচরণ বিধি থাকবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের অনেক খেলোয়াড়ই পাকিস্তান বংশোদ্ভুত তাই এমন ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।
 
রিপার্টে প্রকাশিত আরো কিছু পদক্ষেপ:
১. পুরো ওভালেই ২৪ ঘন্টা ক্লোজ সার্কিট টেলিভিশনের আওতায় থাকবে।
২. কোনো মানুষকে রাজনৈতিক কিংবা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানতে পারে, কর্তৃপক্ষের পুর্বানুমতি ছাড়া এমন ধরনের কোন বস্তু না আনতে জনগণের প্রতি পরামর্শ দিয়েছে স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষ।
৩. যে কোনো টিকেট ধারীকেও স্টেডিয়ামে প্রবেশে অনুমতি দেয়ার ক্ষমতা রেখেছে স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষের কাছে।

৪. নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সতর্ক করতে একটি ই মেইল নম্বর ও এসএমএস করার জন্য একটি ফোন নাম্বারও দেয়া থাকবে।