তৃতীয় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৩) বাস্তবায়নে জন্য ৪০ কোটি ডলারের অতিরিক্ত অর্থায়নের চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বিশ্বব্যাংক। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার মান উন্নয়নে সহায়তা বাড়ালো। পিইডিপি-৩ প্রশিক্ষিত শিক্ষক এবং বিশেষ শিক্ষা উপকরণের মাধ্যমে বিশেষ করে অবহেলিত এলাকায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক বছরের প্রাক-প্রাথমিক কর্মসূচি চালু অব্যাহত রাখবে।
রবিবার শেরেবাংলা নগরের ইআরডি সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) জেষ্ঠ্য সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন এবং বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর জোহানেস জাট চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
এসময় জোহানেস জাট বলেন, গুণগত মানের উন্নয়ন, অংশগ্রহণ, সমতার ভিত্তিতে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অর্জনকে এগিয়ে নেয়া এবং প্রাথমিক শিক্ষায় একটি কার্যকর মূল্যায়ন পদ্ধতি গড়ে তুলতে আমরা আমাদের সহায়তা বৃদ্ধি করেছি।
চলমান এ প্রকল্পের বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে প্রশ্ন করা হলে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. আলমগীর বলেন, প্রকল্পে ইতিমধ্যেই যতটুকু দুর্নীতি হয়েছে তা দুঃখজনক। এর সাথে জড়িত কর্মকর্তাদের শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে। দুর্নীতি প্রতিরোধে প্রকল্প বাস্তবায়নে কর্মকর্তাদের সাথে নিয়মিত বৈঠক করা হবে। নিবিড় যোগাযোগ রাখা হবে দাতা সংস্থার সাথে। এর পরেও কোন দুর্নীতি ধরা পরলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে। এসময় জানানো হয়, বর্তমানে শিক্ষা খাতে বিশ্বব্যাংকের প্রতিশ্রুত সহায়তার পরিমাণ ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার।
