গত ১৫ জানুয়ারি থেকে সাত কর্মদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক কমেছে ২৪৮ পয়েন্ট। এর মধ্যে একদিন সূচক কিছুটা বাড়লেও অবশিষ্ট ছয়দিনই সূচক কমেছে। তাছাড়া এ সময়ের মধ্যে ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ সাড়ে তিনশ’ কোটি টাকা থেকে দুইশ’ কোটি টাকায় নেমে এসেছে। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতা দেখা দিয়েছে। এজন্য বাজারে সূচক ও লেনদেন কমে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আনা প্রয়োজন বলে মনে করেন তারা।
আইডিএলসি’র দৈনন্দিন বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, গত কয়েকদিন ধরে বাজারের পতনমুখী প্রবণতা থেকে সোমবার কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর প্রচেষ্টা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা সম্ভব হয়নি। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার অভাবে আস্থাহীনতায় বাজারে ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না। এদিকে বিনিয়োগকারীরা আসন্ন মুদ্রানীতির দিকে তাকিয়ে আছেন। মুদ্রানীতি পুঁজিবাজার বান্ধব হলে বাজার ঘুরে দাঁড়াতে পারে।
তথ্যে দেখা গেছে, সোমবার ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৮ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৭০৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ মূল্য সূচক ৯ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৭৩৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২০৪ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ১৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ৩০৭টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১১১টির, কমেছে ১৪৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫২টি কোম্পানির শেয়ারের। অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ২৬ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৪২৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ২০ কোটি ২৮ লাখ টাকা। যা আগের দিনের তুলনায় ৩ কোটি টাকা কম। লেনদেনকৃত ২৩১টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৭৭টির কমেছে ১২৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৯টি কোম্পানির শেয়ারের।
