কনকনে ঠাণ্ডা আর গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে থরথর রংপুর

আপডেট : ৩০ জানুয়ারি ২০১৫, ০১:১৯

গত দু’দিন ধরে রংপুর বিভাগে অব্যাহত শৈত্যপ্রবাহ আর কনকনে হিমেল হাওয়ার সাথে যোগ হয়েছে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি। সবমিলিয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে রংপুরের জনজীবন। গতকাল বৃহস্পতিবার সারাদিনই ছিল ঘন কুয়াশা, দেখা মেলেনি সূর্যের। গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির কারণে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। গতকাল দোকান-পাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, হাট-বাজার ছিল প্রায় ফাঁকা। নগরীতে যানবাহন চলাচল করেছে কম। ঘন কুয়াশায় দূরপাল্ল­ার যানবাহনগুলো দিনের বেলায়ও হেড লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করেছে।

রংপুর আবহাওয়া অফিস জানায়, গতকাল রংপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আরও কয়েকদিন এই অবস্থা থাকতে পারে বলে জানা গেছে।

এদিকে, শীতবস্ত্রের অভাবে কাতরাচ্ছে বিভাগের লাখ লাখ দরিদ্র ও হতদরিদ্র মানুষ। পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র না পাওয়ায় তাদের কষ্ট হচ্ছে। ছিন্নমূল মানুষগুলো খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। নদীর চরে বসবাসকারী মানুষ বয়ে যাওয়া হিমেল বাতাসের সাথে এক ধরনের যুদ্ধ করেই টিকে আছে। হাড় কাঁপানো শীতে মানুষের পাশাপাশি কাবু হয়ে পড়েছে গবাদি পশু-পাখিও। ঠাণ্ডায় বৃদ্ধি পাচ্ছে কোল্ড ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, শ্বাসনালীর প্রদাহ ও সর্দি-জ্বরসহ বিভিন্ন শীতজনিত রোগ-বালাই। রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হচ্ছে শিশু ও বৃদ্ধ।