জানুয়ারি মাসে দেশের রফতানি আয় বাড়লেও লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় তা কম। বাংলাদেশ রফতানি ব্যুরোর প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে—জানুয়ারি মাসে রফতানি আয় হয়েছে ২৮৮ বিলিয়ন ডলার। যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪ দশমিক ৭৭ শতাংশ বেশি। তবে এ মাসে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৯৭ কোটি টাকা। অর্থাত্, লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৩ শতাংশ কম রফতানি হয়েছে।
চলতি অর্থবছরের সাত মাসের (জুলাই-জানুয়ারি) রফতানি আয়ের পরিস্থিতিও একই। চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে রফতানি আয় আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২ দশমিক ০৬ শতাংশ বেড়েছে। তবে এ সময়ের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় রফতানি আয় ৪ দশমিক ১৯ শতাংশ কম হয়েছে। প্রথম সাত মাসের জন্য রফতানি আয়ের কৌশলগত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ হাজার ৮৫৭ কোটি ৮৭ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার। এ সময়ে রফতানি হয়েছে ১ হাজার ৭৭৯ কোটি ৯৩ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলারের পণ্য। এ দিকে, প্রথম সাত মাসে রফতানি আয় আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২ দশমিক ০৬ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৩-১৪ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে রফতানি আয় হয়েছিল ১ হাজার ৭৪৩ কোটি ৯৫ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার।
ইপিবির তথ্যে দেখা গেছে—জানুয়ারি মাসে কৃষিজাত পণ্যের রফতানি আয় বেড়েছে ১৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ। পাট ও পাট পণ্যের রফতানি আয় বেড়েছে ৭ দশমিক ১৯ শতাংশ, নিটওয়্যারের ২ দশমিক ৬২ শতাংশ এবং ওভেন গার্মেন্টের ১ দশমিক ২২ শতাংশ। আর এ মাসে হিমায়িত খাদ্যে ৫ দশমিক ০৫ শতাংশ রফতানি কমেছে। এ ছাড়া, প্রক্রিয়াজাত চামড়াতে ১৫ দশমিক ৭৮ শতাংশ, বিশেষায়িত টেক্সটাইল খাতে ১৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ, সিরামিক পণ্যে ৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ, কটন ও কটন প্রোডাক্ট খাতে ১৫ দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং পেট্রোলিয়াম বায়ো-প্রোডাক্টস ৬৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ রফতানি আয় কমেছে।
