চীনের ইন্টারনেটভিত্তিক বৃহত্তম বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান আলীবাবা ক্রেতাদের কাছে পণ্য পৌঁছুতে পরীক্ষামুলকভাবে ড্রোনের ব্যবহার শুরু করেছে। বেইজিং, সাংহাই এবং গুয়াংজু শহরে তিনদিন ধরে এই পরীক্ষা চলবে। এ সময় শুধুমাত্র বিশেষ ধরণের একটি চায়ের অর্ডার ক্রেতাদের কাছে ড্রোন দিয়ে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এই তিনদিনে মোট ৪৫০ জন ক্রেতার কাছে ড্রোনের মাধ্যমে পণ্য যাবে।
তবে ড্রোনগুলো আপাতত এক ঘণ্টার বেশি দূরত্বে যাবে না।
IMG0
আলীবাবা একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে যাতে দেখা যাচ্ছে চতুষ্কোণ ধরণের ড্রোন মহাসড়ক, গাছপালা, নদী পেরিয়ে ক্রেতাদের বাসস্থানের কাছাকাছি খোলা মাঠে অবতরণ করছে।
এর আগে মার্কিন তিনটি প্রতিষ্ঠান আমাজন, গুগল এবং পার্সেল কোম্পানি ইউপিএস পণ্য পৌঁছে দিতে ড্রোনের পরীক্ষা শুরু করে। কিন্তু তারা এখনো পর্যন্ত সরাসরি ক্রেতাদের কাছে ড্রোন দিয়ে পণ্য সরবরাহ করেনি।
কিন্তু এই প্রথম আলীবাবা ক্রেতাদের কাছে ড্রোন দিয়ে পণ্য পাঠাচ্ছে।
IMG1
দরজায় পণ্য নিয়ে নামছে ড্রোন।
কুরিয়ার বা পোস্টাল সার্ভিসের বদলে দুর নিয়ন্ত্রিত ড্রোন দিয়ে পণ্য সরবরাহ নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই চিন্তাভাবনা পরীক্ষা চললেও, এর ঝুঁকি নিয়ে এখনো অনেকেই উদ্বিগ্ন।
লন্ডনের ইমপেরিয়াল কলেজের রবোটিক্স বিজ্ঞানের শিক্ষক রবি বৈদ্যনাথন বলেন, গাছপালা, ভবনের ওপর দিয়ে ড্রোন উড়িয়ে নেওয়া সম্ভব, কিন্তু অবতরণের সময় নীচের কিছু ইস্যুও বিবেচনায় নিতে হবে। অবতরণের সময় মাটিতে বা ছাদে শিশু বা পোষা প্রাণী থাকবে কিনা, সেটা বড় চিন্তার ব্যাপার।
একই সাথে তিনি আরো বলেন, এসব সমস্যার অবশ্য সমাধান করা সম্ভব।
অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, পণ্য সরবরাহে বাণিজ্যিকভাবে ড্রোনের ব্যবহার হতে আরো বেশ কবছর লাগবে।
-বিবিসি।
