অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা ক্রিকেট দলকে সংবর্ধনা দিচ্ছে। টাইগাররা দিবারাত্রির ম্যাচে ব্রিসবেনে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হচ্ছে ২১ ফেব্রুয়ারিতে। এজন্য তারা ১৮ তারিখ ক্যানবেরায় আফগানিস্তানের সঙ্গে দিবারাত্রির ম্যাচ শেষে ১৯ ফেব্রুয়ারি ব্রিসবেনে পৌঁছালে ঐদিন সন্ধ্যায় এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্রিসবেন (ব্যাব)। এতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন যোগ দেবেন বলে নিশ্চিত করেছেন আয়োজকরা। পাপন আফগানিস্তানের খেলা দেখে পরদিন সকালেই ক্যানবেরা থেকে ব্রিসবেনে যাবেন।
এ প্রসঙ্গে যোগাযোগ করা হলে, ব্যাবের সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম জানান, ব্রিসবেনে প্রায় পাঁচ হাজার বাংলাদেশি বসবাস করছেন। তাদেরকে নিয়েই গঠিত সংগঠন ব্যাব থেকে এই সম্বর্ধনা দেয়া হবে।
তিনি বলেন, অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ম্যাচের আগে টাইগারদেরকে উত্সাহিত করা তাদের নৈতিক দায়িত্ব। তার মতে, টাইগাররা যে অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডে বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো খেলতে এসেছে, এর মাধ্যমে তারা দেশকে প্রতিনিধিত্ব করছে। এই খেলায় যাতে টাইগাররা ভালো করতে পারে, সেজন্য তাদের যে মানসিক সহযোগিতা দরকার, একটু ভারমুক্ত হয়ে মাঠে খেলা দরকার, সেজন্যই এই অনুষ্ঠান।
জহিরুল ইসলাম আরো জানান, যেদিন থেকে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া’র মধ্যকার ম্যাচের টিকেট অনলাইনে ছাড়া হয়েছে, তার কিছুক্ষণের মধ্যে বাংলাদেশ গ্যালারির সবগুলো টিকেট বিক্রি হয়ে যায়। সেখান থেকে তারা বাংলাদেশ বা টাইগারদেরকে নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের আগ্রহটা বুঝতে পারেন। ছেলে-বুড়ো সবাই সাগ্রহে এই টিকেট কেটেছেন। আর এই ম্যাচকে ঘিরে ব্রিসবেনে বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে ভিন্নরকম একটা উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। এই আগ্রহের কারণেই তারা টাইগারদেরকে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে একটু সময় কাটানোর এই সুযোগ সৃষ্টি করেছেন বলে তিনি জানান।
এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সন্ধ্যা সাতটা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত চলবে। এতে কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থাকছে না। শুধু বিসিবি সভাপতি পাপন, ব্যাব সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাতিদীর্ঘ বক্তব্য থাকবে। সেই সঙ্গে ব্রিসবেনের প্রবাসী বাংলাদেশীরা ক্রিকেট দলকে একটা ক্রেস্ট এবং খেলোয়াড়দেরকে স্যুভেনির উপহার হিসাবে দিবেন।
জহিরুল ইসলাম বলেন, এই অনুষ্ঠান আয়োজন করতে তারা বিসিবি’র সঙ্গে গত নভেম্বর মাসের শেষদিকে যোগাযোগ করার প্রায় সপ্তাহ তিনেক পর বিসিবি সম্মত হলে তারা আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু করেন। এখন পর্যন্ত আয়োজন প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এই অনুষ্ঠানে প্রায় তিনশ প্রবাসী বাংলাদেশি উপস্থিত হবেন।
