মাত্র ১৪২ রানে অলআউট স্কটল্যান্ড। অর্থাৎ ১৪৩ রানের লক্ষ্য। মনে হয়েছিল হেসে খেলে জিতে যাবে ফেভারিট নিউ জিল্যান্ড। কিন্তু তা হতে দেয়নি স্কটিশরা। স্কটল্যান্ডের ডেভি ও ওয়ার্ডল নেন তিনটি করে উইকেট। সাত-সাতটি উইকেটের বিনিময়ে জয় পায় নিউজিল্যান্ড। এই বিশ্বকাপে এটি তাদের টানা দ্বিতীয় জয়।
মঙ্গলবার ভোর ৪টায় ডানেডিনের ইউনিভার্সিটি ওভালে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়। ‘এ’ গ্রুপের এই ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিং নেয় নিউজিল্যান্ড। সিদ্ধান্তটা যে সঠিক ছিল তার প্রমাণ দেয় তারা। মাত্র ৩৬ ওভার ২ বলে ১৪২ রানে অলআউট করে দেয় স্কটিশদের। জবাবে ২৪ ওভার ৫ বলে জয় পায় নিউজিল্যান্ড।
নিউজিল্যান্ডের উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান মার্টিন গাপটিল ব্যক্তিগত ১৭ ও ব্রেন্ডন ম্যাককালাম ব্যক্তিগত ১৫ এবং দলীয় ৪৮ রানে আউট হন ইয়ান ওয়ার্ডলের বলে।
তখন মনে হচ্ছিল এটা তেমন কােনো ঘটনা নয়। কিন্তু ব্যক্তিগত ৯ ও দলীয় ৬৬ রানে রস টেলর মাজিদ হকের বলে আউট হলে ধাক্কা লাগে নিউজিল্যান্ডের শিবিরে। ঘুরে না দাঁড়াতে না দাঁড়াতেই সাজ ঘরে ফেরেন উইলিয়ামসও। তিনি করেন ৩৮ রান। তখন দলের সংগ্রহ ১১৭। এরপর ওয়ার্ডলর ফিরতি স্পেলে ক্রসের গ্লাভসবন্দি হয়ে বিদায় নেন গ্রান্ট এলিয়ট।
এরপর কোরি অ্যান্ডারসন আউট হলে অস্বস্তিতে পড়ে নিউ জিল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত মিল্ন এর ১ ও ড্যানিয়ল ভেটরির ৮ রান জয় এনে দেয় দলকে। লজ্জার হাত থেকে রক্ষা পায় নিউ জিল্যান্ড।
নিউ জিল্যান্ডের পক্ষে ট্রেন্ট বোল্ট ও টিম সাউদি নেন দুটি করে, অ্যান্ডারসন ও ভেটরি নেন ৩টি করে উইকেট।
মাত্র ১২ রানে চার উইকেট হারিয়ে স্কটল্যান্ড যখন কূলকিনারা দেখছিল না, তখন ম্যাট মাচানের ব্যাট থেক আসে ৫৬ এবং রিচি ব্যারিংটনের ব্যাট থেকে আসে ৫০ রান। পঞ্চম উইকেটে মাচান ও ব্যারিংটনে জুটিতে আসে ৯৭ রান। এই জুটি অ্যান্ডারসনের বলে এই জুটি ভাঙলে আর দাঁড়াতে পারেনি স্কটিশরা। তারা গুঁড়িয়ে যায় ৩৬.২ ওভারে ১৪২ রানে।
ম্যাচ সেরা: ট্রেন্ট বোল্ট।
