পুঁজিবাজারের লেনদেন ৩০০ কোটি টাকার নিচে

আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৫, ১৮:২৭
 
 
 
দিনভর ওঠা-নামার পর বৃহস্পতিবার শেষ পর্যন্ত ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক কমে গেছে। সূচক কমার পাশাপাশি লেনদেন রয়ে গেছে ৩০০ কোটি টাকার নিচেই। গত ৫ কর্মদিবস ধরে ডিএসইর লেনদেন হচ্ছে ৩০০ কোটি টাকার কম। এ দিকে, আগের দিনের ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবারও লেনদেনের শীর্ষে ছিল ব্যাংকিং খাত। এ খাতে লেনদেন হয়েছে ৪৫ কোটি টাকার, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের প্রায় ১৭ ভাগ। ব্যাংকিং খাতের পাশাপাশি ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক খাতের কোম্পানিগুলোও লেনদেন ও দর বৃদ্ধির পথে এগিয়ে রয়েছে। এ খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ারদর বেড়েছে প্রায় দেড় শতাংশ।
তথ্যে দেখা গেছে, বৃহস্পতিবার ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ১৪ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৭৮৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ মূল্য সূচক ৮ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৭৭৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৬৬ কোটি ৮৫ লাখ টাকার। যা আগের দিনের চেয়ে ৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ৩০৭টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৯২টির, কমেছে ১৬৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫০টি কোম্পানির শেয়ারের।
অপর দিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৬১ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৬৪৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ১৮ কোটি ১২ লাখ টাকার, যা আগের দিনের তুলনায় ৩ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ২৩৬টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৭২টির, কমেছে ১২৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৬টি কোম্পানির শেয়ারের।
এ দিকে, সিএসই সূত্রে জানা গেছে—পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিঅ্যান্ডএ টেক্সটাইলের শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস সমাপ্ত বছরে ৩৭ দশমিক ৬৭ শতাংশ বেড়েছে। আলোচ্য বছরে ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ১ পয়সা। ২০১৩ সালে কোম্পানিটির ইপিএস ছিল ১ টাকা ৪৬ পয়সা। সর্বশেষ হিসাব বছরে কোম্পানির সমন্বিত মুনাফার পরিমাণও বেড়েছে। কোম্পানিটি কর পরিশোধের পর মুনাফা করেছে ৩৫  কোটি ১৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানির সমন্বিত মুনাফা করেছিল ২৫ কোটি ৫৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা।