১ রানে ৪ উইকেটের পতন

১৫০ রানে বিশাল জয় পেয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

আপডেট : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৫, ১১:০৯

 

পাকিস্তানের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম জয় পেতে চলেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। অন্যদিকে পরপর দুই ম্যাচে পরাজয়ের স্বাদ পেতে চলেছে পাকিস্তান। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৩১১ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৩৪ ওভার শেষে মিসবাহদের সংগ্রহ ১৫৩/৭।

খেলতে নেমে প্রথম ওভারেই দুই উইকেট হারায় পাকিস্তান। সর্বনিম্ব ১ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে লজ্জার এক রেকর্ডও ঝুঁলিতে তোলে পাকিস্তান। ২০০৬ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সর্বনিম্ন ৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়েছিল কানাডা। জেরম টেইলরের জোড়া আঘাতের শিকার হন উদ্বোধনী ব্যাসম্যান নাসির জামশেদ ও তার জায়গায় ব্যাট করতে আসা ইউনিস খান। নিজের দ্বিতীয় ওভারেই তৃতীয় উইকেট তুলে নেন টেইলর। দলীয় স্কোরে কোনো রান যোগ না করেই তার শিকার হন হারিস সোহেল। ব্যক্তিগত শূন্য রানে কারটারের হাতে ক্যাচ দেন হারিস। চতুর্থ আঘাত হানেন ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক হোল্ডার। এবার তিনি বিদায় করেন আরেক উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান আহমেদ সেহজাদকে।
 
এর আগে শেষ মুহূর্তে আন্দ্রে রাসেলের ঝড়ো ইনিংসের সুবাদে পাকিস্তানকে ৩১১ রানের বড় লক্ষ্য দেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ক্যারিবিয়ানদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩১০/৬। শুধু ক্রিস গেইল ছাড়া দলের সব ব্যাটসম্যানই দুই অংকের কোঠা স্পর্শ করেন।

শনিবার ভোরে ক্রিস্টচার্চে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তানের অধিনায়ক মিসবাহ-উল হক। ব্যাট করতে নেমে দলীয় ১৭ রানের মাথায় আক্রমণাত্বক ব্যাটসম্যান ক্রিস গেইলকে হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মোহাম্মদ ইরফানের বলে ওয়াহাব রিয়াজের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। এর পরপরই সাজঘরের পথ ধরেন আরেক উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ডুয়াইন স্মিথ। দলীয় ২৮ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ২৩ রান করে সোহাইল খানের শিকারে পরিণত হন তিনি।

এরপর ৭৫ রানের জুটি গড়ে দলকে বেশ খানিকটা এগিয়ে নেন স্যামুয়েলস ও ব্রাভো। দলের স্কোর শতক পেরোনের পরপরই হারিস সোহেলের বলে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে ইয়াসির শাহ'র হাতে ক্যাচ দেন স্যামুয়েলস। এর আগেও তার বেশ কয়েকটি ক্যাচ ফেলে পাকিস্তানি ফিল্ডাররা।

স্যামুয়েলসের বিদায়ের পর দলের হাল ধরেন ব্রাভো ও রামদিন। দুজন দলকে ভালোই এগিয়ে নিচ্ছিলেন। কিন্তু বিপত্তি ঘটে দলীয় ১৫২ রানের মাথায়। একটি থ্রো ব্রাভোর কানের পাশে লাগলে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। এবার রামদিনের সঙ্গী হন সিমন্স। দুজনে মিলে সংগ্রহ করেন আরো ৪২ রান। দলীয় ১৯৪ রানের মাথায় হারিস সোহেলের দ্বিতীয় শিকার হন রামদিন। এর আগে তিনি অর্ধশতক পূরণ করেন। এরপর সিমন্স-সামি জুটি দ্রুত গতিতে সংগ্রহ করে ৬৫ রান। এই রান সংগ্রহ করতে তারা ব্যয় করেন ৭.২ ওভার। ২৫৯ রানের মাথায় সামি আউট হয়ে গেলে বাকি কাজটুকু শেষ করেন আন্দ্রে রাসেল। ১৩ বল থেকে তিনি সংগ্রহ করেন ৪২ রান। দলীয় স্কোর ততক্ষণে পৌঁছে গেছে ৩১০ রানে।